ধর্মপাশার পলমাটি গ্রাম মসজিদের টাকা আত্মাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

Friday, October 23rd, 2020

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানাধীন বংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউনিয়নের পলমাটি গ্রামে জামে মসজিদ উন্নয়নের ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই মসজিদের সেক্রেটারী বাদী হয়ে গত ১৭ অক্টোবর ধর্মপাশা উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
ওই মসজিদে বর্তমানে মসজিদ পরিচালনা কমিটি না থাকায় পলমাটি গ্রামের বাসীন্দা ওই মসজিদের সাবেক ক্যাশিয়ার নজরুল ইসলাম ও একই গ্রামের বাসিন্দা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা হাজী গণিবক্স উ”চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, জামাত নেতা জয়নাল আবেদীন ওরফে জানে আলম ওরফে লিকসন মসজিদ উন্নয়নের টাকা আত্মসাতের সাথে জরিত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ১৭ অক্টোবর শনিবার ধর্মপাশা উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে বিকাল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। মসজিদের টাকা আত্মসাতকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে মসজিদ পরিচালনা কমিটির পক্ষে সেক্রেটারী আব্দুল রাশিদ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যও সঙ্গে কথাবলে জানা গেছে উপজেলার দক্ষিন বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের দাতিয়ারপাড়া গ্রামের বাসীন্দা বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের বর্তমান ডিআইজি আব্দুল বাতেন সাহেবের সহায়তায় আবেদনের মাধ্যমে পলমাটি গ্রাম জামে মসজিদটি পূর্ণ নির্মান কাজের জন্য কাতার চ্যারাটি থেকে শর্তসাপেক্ষে ৫টি কিস্তিতে ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে বলে চুক্তি করা হয়। ডিআইজি সাহেবের ভাগ্না আলী হোসেনের উপ¯ি’তিতে গুবছরের ২৯ নভেম্বর পলমাটি গ্রাম জামে মসজিদেও সামনে পলমাটি গ্রামের বাসীন্দা ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হাজী গনিবক্স উ”চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জামাত নেতা জয়নাল আবেদীন ওরফে
জানে আলম ওরফে লিক লিকসন ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির তৎকালীন ক্যাশিয়ার নজরুল ইসলামের সমন্নয়ে মসজি পূর্ণ নির্মান কাজের হিসাবপত্রের জন্য মৌখিকভাবে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্মান কাজের জন্য কমিটি গঠন করা হয়।
চ্যারিটি থেকে দুটি কিস্তিতে আব্দুল আউয়াল মিছবার একাউন্টে ১২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এসে জমা হয়। ওই টাকা থেকে ওই বছরে ১৮ মার্চ থেকে শুরু করে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট ডার্চ বাংলা একাউন্ট ইসলামী ব্যাংক সহ অন্যান্য ভাবে নজরুল ইসলাম ও জয়নাল আবেদীনের কাছে ১২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা পাটান। আব্দুল আউয়াল মিছবাহ। লেনদেন সংক্রান্ত যতেষ্ট প্রমানাদী আমার কাছে রয়েছে। কাতার চ্যারেটির চাপ ও পুলিশের ডিআইজি আব্দুল বাতেন সাহেবের নির্দেশ পালন করতে পলমাটি গ্রামের মুরুব্বীদের অনুরোদে ডিআইজি সাহেবের ভাগ্না আলী হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিছবাহ বিভিন্ন ভাবে দোকান থেকে মালামাল বাকীতে এনে ওই মসজিদের পূর্ণ নির্মান কাজ সম্পন্ন করেছেন। নজরুল ইসলাম ও জয়নাল আবেদীন তারা এলাকায় ছিল না। এব্যাপারে মধ্যনগর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্যনগর থানায় এক সালিশ বৈঠক অনুষ্টিত হয়। সালিশ বৈঠকে আত্মসাতকৃত পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও জামাত নেতা স্কুল শিক্ষক জয়নাল আবেদীন ও মসজিদ কমিটির সাবেক ক্যাশিয়ার নজরুল ইসলামকে ওই টাকা এখনো বুজিয়ে দিচ্ছেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। পলমাটি গ্রামে ওই দুই জামাত নেতার শক্তিশালী একটি লাঠিয়াল বাহিনী রয়েছে। তারা মদ, গাঁজা,জুয়া সহ অসামাজিক কাজে লিপ্ত রয়েছেন।