ধর্মপাশায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ

Sunday, October 25th, 2020

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):;  সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব ডিলার আরব আলী মধ্যনগর খাদ্য গুদাম থেকে ৪৭২টি কার্ডের বিপরীতে ১৪মেঃটন ১৬০কেজি চাল গুদাম থেকে উত্তোলন করে নৌকা যোগে তার বিক্রয় কেন্দ্র হামিদপুর চৌরাস্তায় যাওয়ার পথে বিপুল পরিমানের চাল কালোবাজারিতে বিক্রিকরেছে বলে ওই ডিলারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
দীর্ঘ স্থায়ী করোনা ও একে একে চার বারের বন্যায় নিন্তু আয়ের সাধারন মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। এমন সময় সাধারন মানুষকে বাঁচানোর জন্য সরকার ৩৫টাকা কেজি চাল ক্রয়করে ওই চাল খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে ২জন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওই ডিলারদের মাধ্যমে তালিকা ভোক্ত সুবিধাভোগীরা প্রতিমসে ১০টাকা কেজি দরে প্রতিমাস ৩০কেজি চাল পাওয়ার কথা রয়েছে। এতে খাদ্যবান্ধব ডিলার প্রতি কেজিতে ২টাকা লাভবান হওয়ার পরও অসাধু কিছু ডিলার স্থান পরিবর্তন করে এক এলাকার চাল অন্য এলাকায় বিতরনের অর্থ হলো সঠিকভাবে বিতরন না করে মোটা অংকে লাভের আশায় এসব চালের একটি অংশ চলে যাচ্ছে কালো বাজারে।
তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউনিয়নের হামিদপুর চৌরাস্তায় আরব আলী নামে একজন খাদ্যবান্ধব ডিলার রয়েছে। ওই ডিলারের অধিনে ৪৭২জন সুবিধাভোগীর বিপরীতে ১৪ মেঃটনঃ ১৬০ কেজি চাল মধ্যনগর খাদ্যগুদাম থেকে উত্তোলন করে নদীপথে তার গন্তব্য যাওয়ার সময় অনেক চাল রাস্তায় বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিলার আরব আলী গত শুক্রবার সকালে ওই ইউনিয়নের জয়পুর রহিছ মিয়ার বাড়ীর সামনে ডিলার নৌকা থেকে নিজ হাতে ৫০ কেজি ওজনের এক বস্তা চাল দিয়ে যান।১ হাজার ২০০ টাকায় কালোবাজারে বিক্রি করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ডিলার আরব আলী বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ডিলার আরব আলী বলেন, দুই কার্ডধারী বিপরীতে ৫০ কেজি ওজনের ১বস্তা এর সাথে আরো ১০ কেজি মোট ৬০ কেজি চাল দিয়েছি। ওই চাল ভোক্তারা বিক্রি করেছে অন্য একজনের কাছে।
এব্যাপারে উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক এর দায়িত্বে থাকা মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শোনে ঘটনাস্থ গিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার জবানবন্ধি নিয়ে এসেছি।এখন ইউএনও স্যারকে বিষয়টি জানানোর পর স্যার কি সিদ্ধান্ত নেন তিনিই জানেন।