ধর্মপাশায় নবনির্মিত প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামতের নামে ২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Friday, November 20th, 2020

ধর্মপাশায় নবনির্মিত ভবনে মেরামতের আত্মসাতের অভিযোগ                                                        ছবি বিজয় নিউজ

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ) ;; সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদর ইউনিয়নের কাইকুরিয়া নবনির্মিত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ১৭ নভেম্বর সরকারী আইন অমান্যকরে ওই বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনকরা হয়নি। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল আউয়াল একে অপরের যোগসাজসে নতুন ভবনে সংস্কার দেখিয়ে ভূয়া রেজোলেশনের মাধ্যমে ২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টি সরজমিন পরিদর্শনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।
ছাত্র অভিভাবক ও গ্রামবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার সরজমিনে উপজেলা সদর ইউনিয়নের কাইকুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়। ১৭ নভেম্বর সরকারী আইনের তোয়াক্কা না করে ওই বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উপজেলায় প্রায় ৭৫টি জরাজীর্ণ বিদ্যালয় মেরামতের জন্য প্রতিটি বিদ্যালয় ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য ২ লাখ করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর পরও উপজেলায় ১৯৩টি বিদ্যালয়ে রোটিন মেরামত বাবত প্রতিটি বিদ্যালয়ে ৪০ হাজার হতে ৬০ হাজার টাকা ও প্রতিটি বিদালয়ে স্লিপ বাবত আরো ১০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। যেসব জরাজীর্ণ বিদ্যালয় মেরামতের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ওই বিদ্যালয় গুলোতেও রোটিন মেরামতের জন্য ৪০ হাজার হতে ৬০ হাজার টাকা ও স্লিপ বাবত ১০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা সদর ইউনিয়নের কাইকুরিয়া গ্রামে নবনির্মিত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষুদ্র মেরামতের প্রশ্নই আসেনা। কিš‘ উপজেলা সহকারী অসাধু শিক্ষা অফিসার আব্দুল আউয়াল ও ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম তারা একে অপরের যোগসাজসে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের না জানিয়ে ভূয়া রেজোলেশনের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক থেকে ৫০৫৩ নং একাউন্ট থেকে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় ওই উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসের (এ.টি.ও) আব্দুল আউয়ালের যোগসাজসে চলতি বছর ৮ হতে ১০টি বিদ্যালয় মেরামত কাজ না করেই ২ লাখ করে টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। যেসব বিদ্যালয় মেরামতের জন্য ২ লাখ করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে সিংহভাগ বিদ্যালয় নবনির্মিত ভবন রয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রাফিউল ইসলাম সাংবাদিককে বলেন, সরজমিন পরিদর্শনে অভিযোগের প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হ বে।
শুধু তাই নয় উপজেলা সহকারী (এ.টি.ও) শিক্ষা অফিসার আব্দুল আউয়াল এর বিরুদ্ধে শিক্ষক বদলি ও মুটা অংকের টাকার বিনিময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ এর একাধিক অভিযোগও রয়েছে।
কাইকুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম অভিযোগের সত্যতা শিকার করে বলেন আমার ভুল হয়েছে আমাকে ক্ষমা করুন আর কোনদিন এমন ভুল হবে না।

ক্যাপশন ঃ-