নৌরুটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়

Saturday, May 30th, 2020

মাদারীপুর প্রতিনিধি :: ঈদের ছুটি শেষে চতুর্থ দিনের মতে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীর উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

কাঁঠালবাড়ি ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ফেরিঘাটে করোনার ঝুঁকি নিয়েই শনিবার ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই যাত্রীদের ভিড় বেড়ে যায়। এ ঘাটের চারটি পন্টুন দিয়ে ওঠা নামা করছে ফেরিগুলো।

জানা যায়, কাঁঠালবাড়ি থেকে শিমুলিয়া নৌরুটের যাত্রীর চাপ সামাল দিতে আরও দুটি ফেরি যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এই রুটে মোট ১৭টি ফেরি সর্বক্ষণ চলাচল করছে। প্রতিটি ফেরিতে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

ফেরি এসে ঘাটে ভিড়লেই ১০ মিনিটের মধ্যে যানবাহন ও যাত্রীতে ভরে যাচ্ছে। তবে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঘাটে আসা যাত্রীরা মানছে না সামাজিক দূরত্ব। ফলে করোনার ঝুঁকি রয়েই যাচ্ছে। পুলিশ সকাল থেকে ঘাটে দায়িত্ব পালন করছে।

এদিকে চালক ও কর্মচারীরা জানান, করোনা সংক্রমণের মধ্য দিয়ে ফেরিগুলোতে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে যাত্রী আসা-যাওয়ার কারণে ফেরির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

কাঁঠালবাড়ি ঘাটের ম্যানেজার আবদুল আলীম জানান, গত তিন দিন ধরে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন।

তবে ঘাট পর্যন্ত আসতে যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে ৫ থেকে ৭ গুণ বেশি ভাড়া। এই নৌ-রুটে গেলো আড়াই মাস ধরে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিগুলো যানবাহন পারাপারের পাশাপাশি যাত্রী পারাপারে হিমশিম খাচ্ছে।

তিনি জানান, বর্তমানে ওই নৌরুটে চলাচলকারী ১৭টি ফেরির মধ্যে ১৩টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। বাকি পাঁচটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়েছে।

তবে ব্যক্তিগত পরিবহনের চাপ বাড়তে থাকলে সেগুলো ছাড়ার কথা রয়েছে। ঘাট এলাকায় পুলিশ, আনসার ও নৌ-পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। নিরাপত্তার জন্যে ঘাট এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়ন রয়েছে।