বরিশালে দুই চাঁদাবাজ আটক,মামলায় আসামী -৪

Sunday, December 8th, 2019

বিজয় নিউজ :: বরিশালের হিজলায় দু’ই চাঁদাবাজ আটক, দেন দরবার সহ রাতেই মামলা। দির্ঘদিন ধরে হিজলার বিভিন্ন এলাকায় হর হামেশা চলছিল চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ নানা অপকর্ম। এর বেশিরভাগ ক্ষমতাসীনদের নাম ভাঙ্গিয়েই চলত তাদের কার্যক্রম। এরা কখনও ছাত্রীগ, কখনও দাদালীগ, কখনওবা প্রভাবশালী স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলা লোক ও লোকজন।

হিজলা উপজেলা সদর বড়জালিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের কোরবানের রাস্তার মাথা। স্থানটি নানা অপকর্মের গুরুত্ব বহন করে আসছিল দির্ঘদিন ধরে। এখানে চলে গাজা, ইয়াবা, জুয়া, চুরি, অবৈধ কারেন্টজালের ব্যবসা, ছিনতাই, ডাকাতি, চাদাঁবাজি সহ নানা অপকর্ম। হিজলা থানার সাবেক ওসি গোলাম সরোয়ার মিলন এখান থেকে বেশ ক’জন ডাকাত ধরতে সক্ষম হন। তিন ডাকাত নিহত হওয়ার পর কয়েক মাস শান্ত থাকে এলাকা। এর কয়েক মাস শান্ত থাকলেও পুরাতন কায়দায় চলে যায় ঐ স্থান। হয়ে পরে স্থানটি অরক্ষিত। চলে ক্ষমতাসীনদের দাপট। অবশেষে এর বহিপ্রকাশ ৭ ডিসেম্বর ২০১৯।
৭ ডিসেম্বর রাতে চাঁদাবিাজির গোপন সংবাদে হিজলা থানার ১০/১৫ জন পুলিশ হানা দেয় বাহেরচরের কোরবানের রাস্তার মাথায় (প্রস্তাবিত ফেরিঘাটে)। হিজলা থানা স্বেসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক ও বড়জালিয়া বোর্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সহিদুল ইসলা খান রিপন এর ভাতিজা নয়ন খানের পুত্র রুবেল খান ও ছাত্রলীগ দাবিদার শাহজাহান নামক এক কলেজ ছাত্রকে হাতেনাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে ঘটনা¯’ল থেকে আটক করে পুলিশ। রাতেই সেচ্ছাসেবকলীগ,আ’লীগসহ একাধিক ব্যাক্তি তাদের ছাড়িয়ে আনার জন্য থানায় ধরনা ধরেও পার পাননি তারা। পুলিশের অভিযোগ তাদের উপস্থিতিতে নদীতে থাকা কাগো, বোর্ড থেকে চাঁদা এবং ডাকাতি করছিল তারা।

এদের সাথে আরও ১৫/২০জন লোক থাকলেও তাদের ধরতে সক্ষম হননি থানা পুলিশ বাহিনী। রাতেরই ৪ চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করা হয় বলে জানান দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার। চাঁদাবাজি মামলা নং ০১ তারিখ ০৭/১২/২০১৯।

সে”ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক রিপন খান জানায় তার ভাতিজা চাঁদাবাজির সংঙ্গে জড়িত না। সে পরিস্থিতির স্বীকার। অপরদিকে উপজেলা ছাত্রীগ সভাপতি সোলায়মান জানায় শাহজাহান ছাত্রলীগ। ছোট একটি দোকান চালায় রাস্তার মাথায়, ছেলেটি খুবই গরীব। সে হিজলা কলেজে পড়ে। আসলে ঐ স্থানে রাতে কি ঘটছে তা তার জানা নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ চাঁদাবাজির সাথে এখানে রয়েছে দির্ঘ একটি গ্রুপ। এরা সরকারী দলের ছত্র ছায়ায় নিয়মিত অপকর্ম করে থাকে। এদের রোখা স্থানীয়দের মতে কোন মতে সম্ভব না। সরকার এবং সরকারী বাহিনীই পারে এদের প্রতিরোধ করতে।