বিএনপির দুগ্রুপের চেয়ার ছোড়াছুড়ি, কমিটি গঠন পণ্ড

Thursday, September 19th, 2019

বিএনপির দুগ্রুপের চেয়ার ছোড়াছুড়ি

বিজয় নিউজ রিপোট।।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পৌর বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি গঠন কেন্দ্র করে দুগ্রুপের চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও মারপিটে দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কমিটি গঠন পণ্ড হয়ে গেছে।

জানা যায়, বাঘা পৌর বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে কালীদাসখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এ কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে আলোচনা শেষে সভাপতি-সম্পাদকের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়।

এর কিছুক্ষণের মধ্যে দুগ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও মারপিট শুরু হয়।

এতে বিএনপির সমর্থক কালীদাসখালী গ্রামের শফিউর রহমানের ছেলে শিবলী সাদিক (৩৩) ও একই গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে আবদুস সালাম (২৫) আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কমিটি গঠন পণ্ড হয়ে গেছে।

বাঘা পৌর বিএনপির আয়োজনে আহ্বায়ক হামিদুল হকের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ফজলুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাঘা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর তফিকুল ইসলাম তফি।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি প্রার্থী টনি সরকার বলেন, আলোচনাসভার শেষে সভাপতি পদে মনিরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আজাদ আলী, নাসির উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, মিজানুল হক প্রার্থী হতে চান।

এ সময় দলের আরেক কর্মী শিমুল আহম্মেদ সাংগঠনিক পদ চান। তার পর উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এ সময় ৮-১০টি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনা শান্ত করতে গিয়ে বিএনপিকর্মী শিবলী সাদিক ও আবদুস সালাম নামে দুই কর্মী চেয়ারের আঘাতে আহত হন।

বাঘা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হামিদুল হক বলেন, দলের মধ্যে পদ চাওয়া কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এটা বড় কোনো বিষয় না নিজেরা এ বিষয়ে মীমাংসা করে নেব। আহত দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন।

বাঘা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব ফজলুর রহমান বলেন, কমিটি গঠন করতে গিয়ে দুগ্রুপের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়িতে বিএনপির দুই কর্মী আহত হওয়ায় কমিটি গঠন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেব।