স্ত্রী ও সন্তানসহ বরিশালে নিখোঁজ স্যানিটারী ব্যবসায়ী

Wednesday, July 3rd, 2019

স্টাফ রিপোর্টার :
বরিশালে এক স্যানিটারী ব্যবসায়ী তার স্ত্রী ও সন্তান সহ নিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ ওই স্যানিটারী ব্যবসায়ী দিলিপ কুমার রায় বরিশাল নগরীর ফরেস্টার বাড়ির পুল এলাকার হুমায়ুন কবীরের বাসার ভাড়াটিয়া এবং নগরীর সদরোডস্থ এ আর ট্রেডিং নামের স্যানিটারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন।
নিখোঁজের ঘটনায় দিলীপ রায়ের মা মায়া রানী রায় বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন। যার ডায়রি নং ৭২। গত ২৮ মে ছেলের সন্ধান না পেয়ে ২ জুন তিনি থানায় সাধারন ডায়নি করেন। দিলীপ রায়ের সাথে তার স্ত্রী সুবর্ণা রায় ও সন্তান অরণ্য রায় (১৫) এর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা।
দিলীপ রায়ের মা মায়া রানী জানান, আমার সব ছেলেরা যে যার মত করে ব্যবসা বানিজ্য ও চাকুরী করে। তাই কারো সাথে কারো যোগাযোগ নেই। মাঝে মধ্যে ফোন করে কথা বলতো আমার সাথে। নিজস্ব বাড়ি না থাকায় সকলের ভাড়া বাসায় যে যার মতো করে থাকে। এবিষয়ে দিলীপ রায়ের মা মায়া রানী রায় আরো জানান, দীর্ঘ ১ মাস ধরে আমার ছেলে ও তার স্ত্রী সন্তান নিখোঁজ রয়েছে। এঘটনায় আমি বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছি। তবে এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, দিলীপ বরিশাল নগরীতে স্যানিটারী দোকান নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। তার কাছে ব্যাংক এবং স্থানীয় কিছু ব্যাক্তির সাথে অর্থ লেনদেন হয়েছে। অনেকে ধারনা করছে দেনার টাকা পরিশোধ না করতে পারায় দিলীপ স্ত্রী সন্তান নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে।
তবে পরিবার সূত্র বলছে, দিলীপ যদি কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকে তা হলে সে নিজের দোকানের মালামাল রেখে পালিয়ে যাবে কেন? দোকানের মালামাল বিক্রি করে বা সরিয়ে ফেলে পালিয়ে যেত পারতো। ওই এলাকার স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, নগরীর সদররোডস্থ শহীদ মিনার এলাকায় বেশ কিছু লোক অধিক লাভের আসায় সুদে ব্যবসা করে। অনেকেই ব্যবসা করার জন্য ওই সব লোকদের কাছ থেকে অর্থ নিতো। তবে তা আদৌ লিখিত পরিত আছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
দিলীপের মা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে সমাজ ব্যবস্থা ভিন্ন। এখন কেউ নিখোঁজ হলে মনের মধ্যে ভয় জাগে। আদৌকি টাকা পয়সা নাকি অন্য কোন কারন। নাকি আমার ছেলেকে টাকা পয়সার জন্য কেউ গুম করেছে। আলাদা পরিবার নিয়ে থাকার কারনে দিলীপ আমাদের সাথে এসব বিষয়ে কিছুই আলাপ করেনি। শুনেছি ও যেখানে ব্যবসা করে সেখানের কিছু সংখ্যক লোক টাকা পায় বলে দাবি করছে। তবে সে বিষয়ে হ¯Íÿেপ করার মতো আর্থিক অবস্থা আমাদের নেই।