হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ-পর্ব ০৩

Monday, October 5th, 2020

হিজলা প্রতিনিধি:: কাউরিয়া ডাকঘর। মায়ের চাকুরি পুত্র করেন। ই সেন্টার আছে ডাক ঘরে নাই। কত টাকার মালামাল তাও জানা নেই কর্তাবাবুর।
হিজলা উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন স্থান কাউরিয়া বন্দর। বরিশাল জেলার মধ্যে সবচেয়ে উন্নত শুপািরর বাজার। জরাজীর্ন ঘরে চলছে ডাক বিভাগের কার্যক্রম। ছোট একটি ঘর সারাদিন থাকে তালাবদ্ধ। তবুও এখানে রয়েছে ডাক বিভাগের পোষ্ট ই সেবা কেন্দ্র।
সরেজমিনে ঐ এলাকায় গেলে ডাকঘরটির দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। ফোনে জানতে চাইলে একজন পুরুষ জানান, তিনিই পোষ্ট মাষ্টার “হৃদয়”। সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি জানান বাড়ি আছেন। আজ আর অফিসে যাওয়া হচ্ছে না। কাজ থাকলে ফোনে জানান।
বাজার সভাপতি অশোক কুমার চ্যাটাজি জাানন, অফিসতো চালায় “আবুছাইদ হৃদয়”। মুলত পক্ষে ডাকবিভাগের দায়িত্বে ওর মা ফাতেমা। কাজ করেন পুত্র হৃদয়। পাশের একাধিক দোকান্দার জানান হৃদয় এখানে মাঝে মাঝে আসেন। চিঠি বিলির কাজ থাকলে করেন, না থাকলে নাই। আজকালতো ডাক বিভাগের কাজ নেই, তাই। খোজ নিয়ে জানা গেল এ ঘরেও সরকার ডাক বিভাগ থেকে ডাক ই সেন্টারে মালামাল সরবরাহ করেন। ঐ মালামাল রয়েছে বাজারের আর এক ব্যাক্তি জিয়াউল হক ডালিমের কাছে।
ডালিম জানান তিনবার হাত বদলের পর এটি তার কাছে এসেছে, তাও সব না। এখন একটি কম্পিউটার চালু আছে। বাকি গুলো অকেজো। কোন কাজে আসছে না। সরকারও ঠিক করে দি”েছ না। কর্তৃপক্ষও কোন খোজ খবর নি”েছন না। কার্যক্রম সচল দেখানোর জন্য মাসে মাসে দু’এক শো করে টাকা পোষ্ট অফিসকে দেন তিনি। ২টি পিওএস মেশিন পরে থাকলে এর ব্যবহার বিষয়ে তার জানা নেই। আর ছুয়েও দেখেননি। কত টাকার মালা মাল তাও তার জানা নেই।
কি কি মালামাল ঐ খানে- ৩টি ল্যাপটপ, লেজার প্রিন্টার, ফটো প্রিন্টার, স্কানার, ২টি পিওএস মেশিনসহ মোট ১৬টি আইটেমের মালামাল সরবরাহ করে সরকার পক্ষ। তবে তা সংরক্ষনের জন্য চেয়ার টেবিল দেয়া হয়নি তাদের। নিয়ম মাফিক পোষ্ট ই সেন্টারের মালামাল সংশ্লিষ্ট ডাকঘরে থাকার কথা থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন।
পোষ্ট ই সেন্টারের তদারকি কর্মকর্তা (আইপিও) রিয়াজ হাওলার এর সাথে ফোনে জানতে চাইলে জানান, তিনি তদারকি কর্মকর্তা। তাকে তদারকি করার জন্য কর্তৃপক্ষ রয়েছে। আপনি সাংবাদিক আপনি গিয়ে আপনার তদারকি করুন।
পোষ্ট ই সেন্টার পরিচালনা এবং এর রক্ষনাবেক্ষণ বিষয়ে পোষ্টমাষ্টার মোফা”েছল জানান, এটি পরিদর্শন ও পরিচালনার জন্য তদারকি কর্মকর্তা রয়েছে। তিনি এ বিষয়ে ভাল জানে না। চলবে———