নিত্যপণ্যের চড়া দাম,অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে

Thursday, February 6th, 2020

বিজয় নিউজ:: নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির হলে সীমিত ও নিুআয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যায়।

পণ্যের বাজার যাতে যখন তখন অস্থির হতে না পারে সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নানা কৌশলে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির করে তোলে।

এদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে দেরি করা হলে নিুআয়ের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বাজারে চাল, ডাল, পেঁয়াজ, চিনি, আটা, আদা, রসুন, ভোজ্যতেলসহ প্রায় সব পণ্য বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

সরবরাহ প্রক্রিয়ায় কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি না থাকলেও বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, এটাই স্বাভাবিক।

দেশে বিপুলসংখ্যক ভোক্তার প্রধান খাবার চাল। মিলাররা যখন তখন অজুহাত দেখিয়ে চাল বাড়তি দরে বিক্রি করেন। তারা যেসব কারণ দেখিয়ে চালের বাজার অস্থির করে তোলেন, সেসব তথ্য যাচাই করে দেখা জরুরি।

একজন নিুআয়ের মানুষ প্রতি মাসে পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় চাল কেনার পর যা উদ্বৃত্ত থাকে তা দিয়ে পরিবারের বাকি প্রয়োজন মেটাতে তার খুব কষ্ট হয়। এটা সরকারকে অনুধাবন করতে হবে। কিছু লোকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় সাধারণ মানুষ ভোগ করবে কেন?

বাজারে নতুন পেঁয়াজ এলেও এখনও এ পণ্যটি বেশি দামেই ক্রয় করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। অসাধু ব্যবসায়ীরা কৌশলে নিত্যপণ্যের বাজার কতটা অস্থির করে তুলতে পারে, গত কয়েক মাসে পেঁয়াজের বাজারদরের দিকে দৃষ্টি দিলেই তা স্পষ্ট হয়।

নিত্যপণ্যের বাজারের অস্থিরতা লক্ষ করে ভোক্তারা তদারকি সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলেন। বছরের শুরুতে অনেক বাড়িওয়ালার ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি ভাড়াটিয়াদের জন্য বাড়তি দুর্ভোগের কারণ হিসেবে দেখা দেয়।

লক্ষ করা যায়, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্বস্তিদায়ক যেসব তথ্য দেয়া হয়, অনেক সময় তা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।। এর মূলে রয়েছে কিছু ব্যবসায়ীর কারসাজি।

সারা দেশে অসাধু ব্যবসায়ীদের এক অদৃশ্য অথচ শক্তিশালী চক্র গড়ে উঠেছে। এ চক্রের শক্তির উৎস খুঁজে বের করে তা ভেঙে দিতে হবে। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়া না হলে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো কতটা স্থায়ী সুফল বয়ে আনবে সে প্রশ্ন থেকেই যায়।