ভারতীয় ৩২ মাছ ধরা ট্রলারসহ নিরাপত্তা হেফাজতে ৫’শ ১৯ জেলে

Monday, July 8th, 2019


উত্তম কুমার হাওলাদার :
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৩২ টি ভারতীয় মাছ ধরা ট্রলার সহ ৫শ’ ১৯ জন জেলেকে নিরাপত্তা হেফাজতে রেখেছে পায়রাবন্দর কোষ্টগার্ড। ট্রলার ও জেলেদের বিরুদ্ধে মামলা বা তাদের ভারতিয় কতৃপÿের কাছে হ¯Íান্তর বিষয়ে গতকাল সোমবার পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারেনি কলাপাড়া প্রশাসন। প্রশাসন বলছে মন্ত্রনালয় থেকে সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তারা হেফাজতেই থাকবে।
গত রবিবার দুপুর ১ টার দিকে এসব ফিশিং ট্রলারগুলো পায়রা বন্দর রামনাবাদ চ্যানেলে প্রবেশ করলে তাদের উদ্ধার করা হয়। ভারতীয় পতাকা বহনকারী প্রত্যেকটি ট্রলারে ১৫-১৮ জন জেলে রয়েছে। এদের বাড়ি ভারতের দÿিন চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, ভারতীয় সীমানায় মাছ ধরারত অবস্থায় বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে এসব ট্রলার গুলো দিক হারিয়ে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে। এরপর গত শনিবার রাতে রামনাবাদ চ্যানেলের গঙ্গামতি এলাকায় আশ্রয় নেয়। ররিবার দুপুরে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে পায়রা বন্দর কোস্টগার্ড ঘাটে নিয়ে আসে।উদ্ধারকৃত জেলেদের ভাষ্যমতে, তারা ভারতের জলসীমায় মাছ শিকার করছিল। আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে দিক হারিয়ে তারা বাংলাদেশী জলসীমানায় ঢুকে পড়ে।
পায়রা বন্দর কোষ্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো.রেজাউল করিম জানান, ট্রলার এবং জেলেদের নাম তালিকা ভুক্ত করা হচ্ছে। যেহেতু অনেকগুলো ট্রলার, তাই বিষয়টি সময় সাপেÿ ব্যাপার বলে তিনি জানান।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার জানান, ভারতীয় জেলেরা ঝড়ের কবরে পড়ে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে শনিবার রাতে রামনাবাদ চ্যানেলের গঙ্গামতি এলাকার আবস্থান করে। ররিবার দুপুরে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে পায়রা বন্দর কোস্টগার্ড ঘাটে নিয়ে আসে।
কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) অনুপ কুমার দাশ জানান, জেলেরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসী এবং প্রত্যেকেই বাংলা ভাষায় কথা বলেন।
কলাপাড়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো.মুনিবর রহমান জানান, জেলেরা প্রতিক‚ল আবহাওয়ার কারনে বাংলাদেশী জল সীমায় নিরাপত্তার কারনে প্রবেশ করেছে। এখন মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্ত আসলেই হ¯Íান্তর না মামলা হবে তা বলাযাবে।