কারাগারে যৌন নির্যাতনকারীর মৃত্যু, নেপথ্যে ক্লিনটনের হাত!

Monday, August 12th, 2019

বহু নাবালিকার যৌন হেনস্তায় অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। নিজের দোষ স্বীকার করে জেলে ছিলেন গত দু’মাস। অবশেষে সেই জেলের কুঠুরিতেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইন। তার এক দিন কাটতে না কাটতেই এপস্টেইনের মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক, বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

টুইটারে ট্রাম্প লিখেছেন, “এপস্টেইনকে যতটা চিনি, তাতে ওকে কখনোই আত্মঘাতী হবে বলে মনে হয়নি আমার। ওর মৃত্যুতে কোনো রাজনৈতিক চাপ কাজ করছে বলেই আমি মনে করি।”
টুইটে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের নাম উল্লেখ করেন। তার পরই ক্লিনটনের জনসংযোগকারী কর্মকর্তা জানান, “ট্রাম্প জেগে স্বপ্ন দেখছেন। এপস্টেইনের সঙ্গে ক্লিনটনের কোনো যোগ নেই।” ট্রাম্পের উদ্দেশে ওই কর্মকর্তার বার্তা, “নিজের কাজে মন দিন। দেশের অবস্থা ভালো নয়।”
মার্কিন সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমস সূত্রে খবর, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটায় এপস্টেইন আত্মহত্যা করেছেন। বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। পুলিশ এবং বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, নিজেই আত্মহত্যা করেন জেফরি এপস্টেইন। জেল থেকে শনিবার সকালেই তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগেও জেলের ভিতরেই বেশ কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন এপস্টেইন। ৬৬ বছর বয়সী এপস্টেইনের গলায় দড়ির ফাঁসের দাগও খুঁজে পেয়েছিল পুলিশ। তারপরই তার উপরে বেড়ে গিয়েছিল বাড়তি নজরদারি। কিন্তু সে সবের ফাঁক গলে আত্মহত্যা করলেন জেফরি এপস্টেইন। বিল ক্লিন্টন থেকে শুরু করে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বহু মার্কিন রাজনৈতিকের প্রচার কাজে অর্থ ঢেলেছেন জেফরি। এহেন জেফরির বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৪০ জন মহিলা, যারা এখন বেশির ভাগই কুড়ি বা তিরিশের কোঠায়, তারাই যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন।