ক্রিকেটারদের ফিটনেস বাড়ানোর জোর তাগিদ পাপনের

Friday, September 27th, 2019

বিজয় নিউজ:  জাতীয় লিগ দরজায় কড়া নাড়ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াবে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সর্ববৃহৎ আসর।

এ আসর শুরুর আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস লেভেল নিরুপণে এবার বিপ টেস্ট নিবে বিসিবি। এবং এই বিপ টেস্টে একটা নির্ধারিত মানদণ্ড বেঁধেও দেয়া হয়েছে। এবার বিপ টেস্টে ‘১১’ মানদণ্ড বেঁধে দেয়া হয়েছে। এবং তা নিয়েই বিপত্তি। সিনিয়র ক্রিকেটারদের আপত্তি।

মোহাম্মদ আশরাফুল, তুষার ইমরানদের মত সিনিয়র ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা গড়পড়তা বিপ টেস্টে ১৩ ‘র নিচে নামাতে পারছেন না। সে কারণেই তাদের কথা হুট করে ১১ মানদণ্ড নির্ধারণ করায় পড়েছেন বেকায়দায়। এত অল্প সময়ে সেই মানদণ্ড ছোঁয়া কঠিন।

তবে নাজমুল হাসান পাপন এই সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে চিন্তিত নন। তার মাথাব্যথা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে। আজ (শুক্রবার) মিডিয়ার সাথে আলাপে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির অভিযোগে অভিযুক্ত লোকমান হোসেন এবং বোর্ড শীর্ষ কর্তা মাহবুব আনামের দুদকের কাছ থেকে সম্পদের হিসেব চাওয়া সম্পর্কে কথা বলার পাশাপাশি বিপ টেস্ট নিয়েও কথা বলেন বিসিবি প্রধান।

তিনি পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, ‘এখন আমাদের মূল সমস্যা যেটি দেখছি জাতীয় দলে সেটা হচ্ছে ফিটনেস। খেলোয়াড়দের ফিটনেস খুবই খারাপ। কোচ এসে বলছে এটা কি ধরনের ফিটনেস তোমাদের খেলোয়াড়দের? এমন ফিটনেস নিয়ে তো আন্তর্জাতিক লেভেলে খেলা কঠিন। আমি দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিলাম, সেখানে তো কখনো দেখি নি। এখন হঠাৎ করে তো আর বাড়াতে পারবো না। ১৩ তে যেতে পারছি না বা উপরে উঠতে পারছি না।’

তাই নাজমুল হাসান পাপন জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেস লেভেল বাড়ানোর তাগিদ অনুভব করছেন। তার অনুভব, বিপ টেস্টে ৯ বা ১০ থাকতে হবে। এজন্য ক্রিকেটারদের পরিশ্রম করতে হবে।
জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু ক্যাসিনো সিলগালা ও অনেককে আটক করা হয়েছে। কিন্তু তাদের কারও বিরুদ্ধেই জুয়া খেলার অপরাধে মামলা হয়নি। সব মামলা হয়েছে মাদক, মানি লন্ডারিং ও অস্ত্র আইনে।

পুরনো জুয়া আইনের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক  বলেন, ‘আমরা নিশ্চয়ই পুরনো আইনটি নিয়ে নতুন করে চিন্তা করব। কারণ আমরা জানতামই না জুয়া এ রকম হয়। বাস্তবতার নিরিখে আমাদের জুয়া খেলা বন্ধ করতে হবে এবং কার্যকর আইন তৈরি করতে হবে।’

১৮৬৭ সালের বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইনের উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের প্রজারা যেসব এলাকায় বসবাস করে সেখানে প্রকাশ্যে জুয়ার জন্য শাস্তি প্রদানের এবং সাধারণ ক্রীড়াভবনের ব্যবস্থা করার জন্য একটি আইন।’ ঔপনিবেশিক শাসনামলে বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের শাসনাধীন এলাকায় প্রকাশ্য জুয়া খেলার অপরাধে শাস্তি এবং সাধারণ ক্রীড়াভবনের ব্যবস্থা করার জন্য আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

আইনের ১ ধারায় জুয়ার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘ক্রীড়া’ শব্দ দ্বারা জুয়া বা বাজি ধরা বোঝাবে (কেবল ঘোড়দৌড়ের জন্য ধরা বা জুয়া খেলা ব্যতীত)। খেলার কাজে ব্যবহৃত যেকোনো হাতিয়ার বা সামগ্রী ‘ক্রীড়াসামগ্রী’ শব্দের অন্তর্গত।