গভীর সাগরে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে

Sunday, August 18th, 2019

কোরবানির ঈদের পরের দিন থেকে পূর্ণিমার তিথি গণনার দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত ইলিশ ধরা পড়ছে উল্লেখ করার মতো। নগরীর ফিশারিঘাট, কাট্টলীঘাট, ফৌজদারহাট, পতেঙ্গা, ১৫ নং ঘাটসহ সবখানেই ইলিশের সমাগম ঘটেছে। গভীর সাগরে জেলেরা জাল ফেলতেই এবার ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। তবে সে তুলনায় চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকার জেলেদের জালে চলতি পূর্ণিমায় ইলিশ কম ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে। তাই গভীর সাগরে যারা ট্রলারে করে ভাসমান জাল দিয়ে রুপালি ইলিশ শিকার করে তাদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিলেও উপকূলবর্তী জেলেদের মুখে সেই হাসি নেই। তবে চান্দ্রমাসের শেষের ৪-৫ দিন উপকূলীয় এলাকার জেলেদের গাঁড়াজালেও (স্থায়ী) ধস নামানো দাম পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়তে পারে বলে আশাবাদ জানালেন তারা।

নগরীর ফিরিঙ্গীবাজার ও কর্ণফুলীর তীরবর্তী ফিশারিঘাটে এখন ইলিশের মহোৎসব চলছে। ট্রলারের মালিক থেকে মাঝি-মাল্লা এবং আড়তদার থেকে তাদের সহকারী কারোরই এখন দম ফেলবার মতো ফুরসৎ নেই। ছোট-বড় সব আকারের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে ঘাটে। সাগরের গভীর থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আহরিত হলেও বাজারে সে তুলনায় দাম কমছে না। তাই জেলেদের এবং গদিওয়ালাদের এখন ফুরফুরে আমেজ। কিন্তু সাধারণ ক্রেতা- যারা একটু দাম পড়লে নিজেদের জন্য এবং আত্মীয়-স্বজনের জন্য ইলিশ কিনে থাকেন, তারা এখনো সন্তোষ মনে নেই।
ফিশারিঘাটের আড়তদার আবদুল খালেক জানান, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। তবে বড় ইলিশের যে পরিমাণ দাম কমার কথা এবার সে পরিমাণ দাম কমেনি।

এদিকে আনোয়ারা উপকূলে গহিরার জেলে মোহাম্মদ জফুর জানান, গত মাসের পূর্ণিমার জোতে উপকূলবর্তী জেলেদের জালে বেশ ভালো মাছ ধরা পড়েছিল। প্রতিবছর কোরবানির এই পূর্ণিমার জোতে ধারণার বাইরে ইলিশ ধরা পড়লেও এবার কিনারে (উপকূলবর্তী) তার উল্টোটাই ঘটেছে। বেশি মাছ ধরা পড়ছে বাইরো (গভীরে)। আশা রাখি সামনের জোতে কিনারে ভালো মাছ পড়বে।