ধর্মপাশায় সুরমা-বৌলাই ও সুমেস্বরী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের হিরিক

Saturday, January 23rd, 2021

গিয়াস উদ্দিন রানা ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)::  সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় সুরমা নদী-বৌলাই ও সুমেস্বরী নদী থেকে এক শ্রেনীর প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ষ্টিলবডি বলগেট র্কাগো নৌকায় ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নদীর তীরবর্তী প্রাচীন হাট বাজার সহ গ্রামগুলো নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
ধর্মপাশা উপজেলা প্রশাসনের নজরধারী ফাঁকী দিয়ে উপজেলার দক্ষিন বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের বংশীকুন্ডা বাজার এলাকায় দুইটি ড্রেজার মেশিন, মধ্যনগর ইউনিয়নের মধ্যনগর বাজার এলাকায় দুইটি ও সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের গোলকপুর বাজার এলাকায় তিনটি ষ্টিল বডি বলগেট কার্গো নৌকায় ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে প্রভাবশালী মহল।
উপজেলার বিভিন্ন চলতি নদী থেকে অবৈধ ভাবে রাতের অন্ধকারে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে প্রভাবশালী মহল।রাতের অন্ধকারে ড্রেজার মেশিন দিয়ে এসব অবৈধ বালু উত্তোলন কারিদের সহযোগীতা করছেন স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের সহযোগীতায় তারা রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় সুরমা নদীর তীরবর্তী প্রাচীন গোলকপুর, ভোলাগঞ্জ (বাবুপুর) বাজার, সংবাদপুর গ্রাম, সরিষাকান্দা, ইসলামপুর, বেরিরকান্দা, বাবুপুর, নূরপুর, ও তীরবর্তী জামালগঞ্জ উপজেলার আমানিপুর গ্রাম, আলীপুর, শরিয়তপুর, শরিফপুর, গজারিয়া, কান্দবপুর, সেলিমগঞ্জ, শৈতল হাটি, লালপুর, নয়হালট, চাঁনপুর, লম্বাবাক, কালীপুর, কামলাবাজ, মফিজনগরসহ তীরবর্তী শতাধিক গ্রাম নদী ভাঙ্গনের কবলেপড়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
এতে এক দিকে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অপর দিকে শতাধিক গ্রামের সাধারন মানুষের বাড়ী-ঘর নদী ভাঙ্গনের কবলেপড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে।
এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) নির্বাহী প্রকৌশলীর মোবাইল ফোনে একাধিক বার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান তিনি বলেন, অবৈধ ড্রেজার গুলো জব্দকরে আইনের আওতায় আনা হবে। যে সমস্ত গ্রামগুলো নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলীন হচ্ছে অথবা ঝুকীপূর্ন অবস্তায় রয়েছে এসব গ্রাম গুলো পাউবোর মাধ্যমে নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করার প্র¯‘তি চলছে