
আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০১৯
সাইফুল ইসলাম :: হিজলায় মৎস্য অভিযানে থাকা মৎস্য কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর যখন মাছ চোর, জেলেদের দোষ কি। এমন প্রশ্ন হিজলার বাউশিয়ার জেলেদের। বুধবার মা ইলিশ শিকারের শেষ দিন। অভিযান শেষ না হতেই সন্ধ্যায় ঐ কর্মকর্তা এবং তার ভাই টেকের বাজার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে মা ইলিশ বহন করার সময় উৎসুক জনতা-জেলে এমন মন্তব্য করেন।
অভিযানের শুরু থেকে হিজলায় তিন কর্মকর্তা রয়েছেন। চন্দ্র শেখর, মিজানুর রহমান হিজলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে আছে। তাদের কমস্থল অন্যত্র। অভিযানের মুল দায়িত্বে অনিল চন্দ্র দাস। প্রত্যেকে অভিযান শেষে প্রতিদিন বস্তা ভরে মাছ নিয়ে যান ডাক বাংলোয়।
দিন শেষে ডাক বাংলোর মন্নানের মাধ্যমে মাছ বিক্রি করেন তারা। বিষয়টি খুন্না বাজারে ব্যপক আলোচনা হলেও স্থানীয় কিছু সংবাদকর্মীকে সাথে নিয়ে তাদের ব্যবসাকে আরও পোক্ত করেন। বুধবার সন্ধ্যায় চন্দ্র শেখর তার ছোট ভাই ডাকবাংলোর মন্নান এবং স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের সাথে মিলে মাছ নিয়ে যান বস্তা ভরে।
ব্রীজে থাকা বেশ কিছু জেলে জানান এ তো শেখর বাবু অপর কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এবং অনিল বাবুরা প্রতিদিন অভিযান শেষে এ ভাবেই মাছ চুরি করে আসছিল। আর কপাল পুরছিল হিজলার অসহায় জেলেদের। তিনি একজন কর্মকর্তা।
অভিযান শেষ না হতেই তার ভাইকে নিয়ে মাছ বহন করার বিষয় আলাপকালে জানান তিনি ব্যস্ত আছেন পরে কথা বলবেন। অনিলচন্দ্র দাসকে বার বার ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি। নৌ পুলিশ ইনচার্জ বেলাল হোসেন জানান তিনি আজ কোন পার্টিতে ছিলেন জানিনা। তা ছাড়া ঐগুলো তারদের ব্যাপার।