১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

বাইরের দেখে আমার কাঁপাকাঁপি শুরু হয়েছে:খালেদার আইনজীবী

আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৯

 

বিজয় নিউজ::

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বিএসএমএমইউ-এর সংশ্লিষ্ট ডাক্তারদের এ প্রতিবেদন আপিল বিভাগে দাখিল করতে হবে। একই সঙ্গে ওই দিন খালেদার জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদের নেতৃত্বে ছয় সদেস্যর বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

জামিন শুনানির শুরুতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদার জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘মাইলর্ড কোর্টে আসলাম মামলার শুনানি করতে। কোর্টের বাইরের যে অবস্থা, দেখে আমাদের তো কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেছে।’

আদালতে আজ খালেদা জিয়ার পক্ষে জয়নুল আবেদীন ছাড়াও খন্দকার মাহবুব হোসেন ও মওদুদ আহমদ উপস্থিত ছিলেন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মুরাদ রেজা, মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির, ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ও এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

এছাড়া আদালতে খালেদার পক্ষে এ জে মোহাম্মদ আলী, মীর নাসির, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল, কামরুল ইসলাম সজল, মির্জা আল মাহমুদ, কামরুজ্জামান মামুন, সগীর হোসেন, ফাইয়াজ জিবরান, আক্তাকি জাকির জহিরুল ইসলাম সুমন, এহসানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

শুনানিতে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরও বলেন, ‘মাইলর্ড কোর্টে আসলাম খালেদার মামলার শুনানি করতে। বাইরের অবস্থা, পুলিশের তল্লাশি, নিরাপত্তা দেখে আমাদের তো কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেছে।’

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আগের দিন কোর্টের বারান্দায় মিছিল হয়েছে। সামনের রাস্তা বন্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।’ তখন আইনজীবী জয়নুল বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক বিষয়। মাঠে ময়দানের বিষয় মাঠেই থাকুক।’

প্রধান বিচারপতি আইনজীবীর কাছে জানতে চান আপনাকে কি পুলিশ কিছু বলেছে? জবাবে আইনজীবী বলেন, ‘না। আমি বারের সাবেক সভাপতি, আমাকে তো খাতির করে পাঠিয়ে দিল! কিন্তু বাকি আইনজীবীদের কী হবে?’ প্রধান বিচারপতি আশ্বস্ত করে বলেন, ‘কিছু না করলে কিছু হবে না।’

এরপর জামিনের আবেদনের বিষয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘মাইলর্ড আমরা মামলার মেরিটে বলতে চাই না। মানবিক কারণে জামিন চাই। তিনি (খালেদা জিয়া) বয়স্ক একজন নারী, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন। মানবিক কারণে তার জামিন চাই।’

170 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন