
আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০১৯
হিজলা প্রতিনিধি :: বরিশালে হিজলার সামাজিক বনায়নের বন বিভাগের গাছ উধাও। কর্তৃপক্ষ জানে না গাছ কোথায়। তবে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের চাপে কাউরিয়ার একটি সমিল থেকে গাছগুলো আটক করে হিজলা উপজেলা বন বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আবুবকর ছিদ্দিক। উনিশ খন্ড বিশাল আকারের গাছগুলো এখন স-মিলে। যার বাজার মূল্য ৫০,০০০ টাকা। এর বাহিরে আরও মূল্যবান কাঠ রয়েছে।
সূত্রে জানা যায় আবুবকর ছিদ্দিক দির্ঘ দিন যাবত হিজলা উপজেলার বিভিন্ন বন থেকে অবৈধভাবে গাছ কেটে স্থানীয়দের মাঝে বিক্রি করেন। এর ধারাবাহিকতায় কাউরিয়া এলাকার নরসিংহপুর নামক সিএন্ডবি রোডের মামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বিক্রি করে দেন স্থানীয় সেকান্দার খার কাছে। বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের। অবশেষে গাছ বিক্রির বিষয়টি অর্শিকার করেন আবুবকর।
তার ভাষ্য তিনি গাছগুলো সেকান্দারকে কাটার অনুমতি দিয়েছেন। সরকারী গাছ কাটার অনুমতি তার রয়েছে কিনা এমন পশ্নে নিরুত্তর বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত হিজলা বন কর্মকর্তা আবুবকর। তবে সেকান্দারের দাবি গাছগুলো আবুবকরের কাছ থেকে কেনা। কত টাকায় কেনা এমন প্রশ্নে এড়িয়ে যান তিনি। জানা গেছে সেকান্দারের বাড়ির পার্শ্বের বেকারী দোকানের সামনে পড়ে থাকা গাছও বিক্রি করেন আবুবকর।
ঐ গাছের খবর নেইভ তাকে মামলা দেয়ার জন্য পায়তরা করছে বনবিভাগ। আবুবকর দির্ঘ দিন হিজলা উপজেলার সামাজিব বন বিভাগের বিভিন্ন রাস্তা থেকে অহরহ গাছ বিক্রি করে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষকে ট্র্যপে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছেন কারি কারি টাকা। হিজলাগৌরব্দী, মেমানিয়া, হরিনাথপুর, ধুলখোলার বিশাল এলাকা চর। এই চরে বিভিন্ন রাস্তায় সৃজিত সামাজিক বরবিভাগের গাছ।
এ গাছ কেটে স্থানীয় সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করেন আবুবকর। অনেকে নিজেদের সৃজিত গাছ কাটতে গেলে সেখানে বাধা প্রধান করে মামলার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন কারি কারি টাকা। মেমানিয়া এলাকার চর মেমানিয়া গ্রামের লিটন গাজি, গালিব, হারুন, জামাল মোল্লা, আব্বাসসহ একাধিক ব্যাক্তি জানান চরের মানুষ জেলে-সাধারণ কৃষক, অশিক্ষিত। এদের মামলার ভয় দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেন আবুবকর।
আমরা বুঝি সরকারী লোক। টাকা সরকারকে দেয়। এর বেশিতো তাদেও জানা কথা নয়। এলাকাবাসির দাবি বন কর্তৃপক্ষ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিক।