ধর্মপাশায় উন্মুক্ত নদী ইজারা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল

Saturday, January 23rd, 2021

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)::সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার দক্ষিন বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের অন্তভূক্ত বংশীকুন্ডা বাজার সংলগ্ন ঘাষী উন্মুক্ত নদীর তীরবর্তী হাটপাটন গ্রামের প্রভাবশালী মতি লাল তালুকদার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ না করেই স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে ঘাষী উন্মুক্ত নদীটি ইজারা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিন ইউনিয়নে বংশীকুন্ডা বাজার সংলগ্ন ঘাষী নদীটি জনস্বার্থে উন্মুক্ত করার পরও ওই নদীর তীরবর্তী হাটপাটন গ্রামের প্রভাবশালী হাটপাটন গ্রামের মন্দির (আশ্রমের) কমিটির সভাপতি মতি লাল সরকার ওই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাইফুল মিয়ার ছোট ভাই নজরুল ইসলামের কাছে ১ বছরের জন্য ইজারা দিয়েছেন। ওই ভূয়া লিজ গ্রহীতা নজরুল ইসলাম নদীটি তার দখলে এনে কাটা-বাস দিয়ে, নদীতে পাহারা বসিয়েছে। গ্রামের সাধারন মানুষ ওই নদীতে একটি পুটি মাছ মারতে অথবা একটি ঠেলা জাল দিয়েও ছোট মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না।
এব্যাপারে অভিযুক্ত হাটপাটন গ্রামের আশ্রমের সভাপতি প্রভাবশালী মতি লাল সরকার বলেন, আশ্রমের স্বার্থে গ্রামবাসী নিয়ে ঘাষী নদীর একটি খন্ড নজরুল ইসলামের কাছে ৮ হাজার টাকায় লিজ দিয়েছি। অগ্রীম কোন টাকা পয়সা নেইনি। এখন যদি আইনগত জঠিলতা থাকে তাহলে লিজ গ্রহীতা নজরুলের লিজ বাতিল করিব।
ওই আশ্রমের সাবেক সভাপতি হাটপাটন গ্রামের বাসীন্দা অনন্ত সরকার বলেন, আমাদের গ্রামের আশ্রমের বর্তমান সভাপতি মতি লাল সরকার গ্রামের কিছু অসাধু লোকজন নিয়ে ঘাষী উন্মুক্ত নদীর একাংশ লিজ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
লিজ গ্রহীতা ওই ইউপির ৭নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাইকুল মিয়ার ছোট ভাই লিজ গ্রহীতা নজরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি অস্বিকার করে বলেন, ঘাষী নদীটি উন্মুক্ত ওই নদীটি আমি লিজ নেইনি।
এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবু তালেব তিনি বলেন, আজ আমি নির্বাচন ডিউটিতে আগামী দিন আমাকে তথ্যদিন। ঘাষী উন্মুক্ত নদী লিজ দিতে পারে না। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।