৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

ধর্মপাশায় হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে

আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২০

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):; সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় নির্ধারিত সময়ের একদিন পর হাওরে ফসলরক্ষাবাঁধের পূর্ণনির্মান ও মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। পাউবোর নীতিমালা অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বাঁধ সংস্কার ও মেরামত প্রকল্পের কাজ শুরু করার কথা ছিল। গত বুধবার ধানকুনিয়া হাওরে বাঁধ মেরামত কাজের শুভ উদ্ধোধন করেন ¯’ানীয় সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন।
পাউবোর নীতিমালা অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বাঁধ প্রকল্পের কাজ শুরু করার কথা ছিল। প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে আগামী বছরের ২৮ ফের্রুয়ারী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সংশ্লিষ্ট দের দাবি, হাওরে থেকে দেরিতে পানি নামার কারণে বাঁেধর জরিপ কাজ, প্রাক্কলন তৈরী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠন সহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে কিছু সময় পিছিয়েছে। তবে বাঁধ গুলো শতভাগ বাস্তবায়ন নিয়ে শস্কায় রয়েছে ¯’ানীয় কৃষকেরা।
সুনামগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর), উপজেলা প্রশাসন ও কৃষক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চন্দ্র সোনার থাল, জয়ধনা, ধানকুনিয়া,সোনামড়ল,গুরমা, গুরমা বর্ধিতাংশ, ঘোড়াডোবা, কাইলানী, এই আট হাওর সুনামগঞ্জ পাউবোর অধীনে রয়েছে। এবছর উপজেলায় সম্ভাব্য ১৭০টি পিআইসি গঠন করা হবে। উপজেলার ৮টি হাওরের বাঁধের দৈর্ঘ্য ২৫৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে এবার ২০৩কিলোমিটার বাঁধের কাজ জরিপ কাজ করা হবে। গত ২৪ নভেম্বর থেকে জরিপ কাজ শুরু করে ২০৩ কিলোমিটারের মধ্যে গত বুধবার পর্যন্ত ১৯৫ কিলোমিটার বাঁধের জরিপ কাজ করা হয়েছে।
ফসল রক্ষা বাঁধের কাজের জন্য গুশুনানি, জরিপ, পিআউসি গঠন ইত্যাদি এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এ অব¯’ায় যথাসময়ে বাঁধের কাজ শুরু না হওয়ায় শেষ কিছুটা দেরি হবে বলে কৃষকদের দাবি বিধায় ফসল হানির আস্ককাও রয়েছে।
জরিপ ও প্রাক্কলন তৈরীর কাজ শেষ করে গত ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে কমিটি গঠনের কার্যক্রম শেষ করার কথা ছিল। কিš‘ এপর্যন্ত মাত্র একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। হাওর বাচাও আন্দোলনের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানা কমিটি আহবায়ক জহিরুল হক বলেন, ফসল রক্ষা বাঁধের কাজের জন্য গণশুনানি। জরিপ, পিআইসি গঠন এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এঅব¯’ায় যথা সময়ে বাঁধের কাজ শুরু না হওয়ায় শেষ হবে দেরিতে। ফলে ফসল হানির আশস্কা থেকেই যাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান বলেন, হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকমের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণ,কমিটির সদস্য সচিব মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, হাওর থেকে দেরিতে পানি নামার কারণে জরিপসহ অন্যান্য কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এবার এষানকার ৮টি হাওরে ১৭০টি পিআইসি গঠন করা হবে। এর মধ্যে বুধবার পর্যন্ত একটি ধানকুনিয়া হাওরে একটি পিআইসির কাজ আনুষ্টানিকভাবে ভাঁধের কাজ শুরু হয়েছে। উদ্বোধনি অনুষ্টানের বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবুতালেব প্রমুখ।

172 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন