১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

এলজিইডি’র বরিশাল সদর উপজেলার আওয়ামী পন্থী জিয়াউল হক সাত মাস পূর্বে বদলি হলেও প্রধান কার্যালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পূর্বের কর্মস্থলে স্বপদে বহাল

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বরিশাল সদর উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী এস এম জিয়াউল হককে গত ১০-০৭-২০২৫ ইং তারিখে তার বর্তমান কর্মস্থল বরিশাল সদর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে আগৈলঝড়া প্রকৌশলীর কার্যালয় বদলীকৃত কর্মস্থল নির্ধারণ করে এলজিইডির প্রধান কার্যালয় থেকে ৪৬.০২.০০০০.০০১.১৯.০১৬.২৫.৬৫২৩ নং-স্মারকে এক আদেশ জারি করা হয়। কিন্তু সাত মাসের অধিক অতিবাহিত হলেও তার বদলি কৃত আদেশ বাতিল না করে এখনো বরিশাল সদর উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন এবং বদলির আদেশ এখন পর্যন্ত স্থগিত বা বাতিল করেনি।

যা এলজিইডির বিভিন্ন মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ জানা যায়, এস এম জিয়াউল হক বরিশাল সদর উপজেলায় দীর্ঘ বছর কাজ করে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।
এ সুবাদে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের একান্ত ঘনিষ্ঠ লোক হয়ে ওঠেন।
তৎকালীন আওয়ামী লীগ ঠিকাদারদের কাজ তদারকির নামে ২½% কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদশালী হয়ে ওঠেন।
অভিযোগ মতে, এলজিইডি বরিশাল নির্বাহী প্রকৌশলী অধিদপ্তর ও সদর উপজেলা কার্যালয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাউফল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে। এস এম জিয়াউল হক বাউফল উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে তিনি এই সিন্ডিকেটের একজন সক্রিয় সদস্য।
অভিযোগে আরো প্রকাশ, তার দায়িত্ব কৃত কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার পরিবর্তে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সখ্যতার মাধ্যমে পিসি বা কমিশন বাণিজ্যে বিভোর।
এক্ষেত্রে নিম্নমানের কাজ হওয়ার কারণে একটি গ্রামীণ রাস্তা মিনিমাম ১০ বছরের উপরে টেকসই হওয়ার পরিবর্তে ২/৩ বছরের মধ্যেই রাস্তা ভেঙে জনসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যাতে রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় এবং জনদুর্ভোগ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এলজিইডি বরিশাল জেলার অনেক প্রকৌশলীদের একই পদে দীর্ঘ বছর কাজ করার বিষয়টি নিয়ে প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ও বিরক্ত।
বরিশাল সদর উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী এস এম জিয়াউল হকের প্রতিটি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রধান কার্যালয়ের একটি তদন্ত টিমের গঠনের মাধ্যমে সরেজমিনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষান্তের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

19 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন