
আপডেট: October 6, 2026

বিজয় নিউজ ::
৮ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান। চলবে ২২ দিন। বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হতে যাচ্ছে ৮ অক্টোবর। তবে অফিসে নেই জনবল।
বিগত বছরে হিজলা উপজেলায় সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়ে আসছে। এবছরের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র দুজন স্টাপ দিয়ে চলছে হিজলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়। ক্ষেত্র সহকারী জামাল উদ্দিন মুন্সী এবং অফিস সহকারি রাকিবুল ইসলাম এই ২ এ ভরসা।
অফিস সহকারি রাকিবুল ইসলাম জানান, আজ হিজলা উপজেলায় সিনিয়র মৎস্য অফিসার এ কে এম মাহফুজুর রহমান যোগদান করার কথা রয়েছে। দুপুর ১ টা পর্যন্ত তার সাক্ষাৎ মিলেনি। সরকারি পরিচালক এর আদেশক্রমে চারজনকে ২২ দিনের জন্য সংযুক্ত করার কথা রয়েছে। এখন পর্যন্ত এর চারজন হিজলা উপজেলায় এসে পৌঁছেনি। তাদের আগমনে জনবল সংকট অনেকটাই কমবে। এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাকিবুল ইসলাম।

উপজেলায় মোট তালিকাভুক্ত জেলে সংখ্যা ২১ হাজার ৮ শত ১৪ জন। প্রায় ২২ কিলোমিটার অভায়াশ্রমে এই জেলেদের বিচরণ। এদের রুখতে প্রতিবছর নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, থানা পুলিশ, মৎস্য দপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
বিগত বছরে মা ইলিশ রক্ষার জন্য বাড়তি তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। মূল মেঘনার হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নের অরাকূলে টিক্যাম্প, হরিনাথপুর ইউনিয়নের বালিকা বিদ্যালয় একটি ক্যাম্প এবং বড় জ্বালিয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদে বাইশ দিনের জন্য ক্যাম্প বসানো হয়েছিল।
পাঁচ অক্টোবর দশটায় মা ইলিশ রক্ষায় উপজেলা মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মৎস্য দপ্তর, নৌ পুলিশ, কোস্ট গার্ড, থানা পুলিশ, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতি, অংশগ্রহণ করে।
সভায়, তিন সপ্তাহের জন্য সকল জেলেদের এনজিওর ঋণ আদায় বন্ধ রাখা, মাঝি পরিবর্তন, স্থল পথে থানা পুলিশের টহলদারি বাড়ানো, আটক জেলের জেলে কাডর্ বাতিল সহ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। তবে সবাই সিদ্ধান্ত হয়নি নতুন ক্যাম্পের হিসাব। এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতি প্রতিনিধি আবুল বাশার বাগা এবং জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি শাহজাহান রেজা দপ্তরি ।