২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

মেঘনার ভাঙ্গন থেকে হিজলাবাসী বাঁচতে চায় (ভিডিওসহ)

আপডেট: জুলাই ৫, ২০২১

আসছে বর্ষা-অবিরাম চলছে মেঘের ঘনঘটা-অবিরাম বৃষ্টি-থামছেনা হিজলার মেঘনার দুষ্টুমি। একের পর এক এলাকা ভাংছে তো ভাংছেই। উত্তরের নদীগুলোতে বান ডাকছে। কাপছে হিজলা উপজেলার মেঘনা পাড়ের মানুষের মনে আতংক। পুরো হিজলা উপজেলাবাসীর কলংক মেঘনা এখন আরও বাড়তি ভোগান্তিতে ফেলে দিচ্ছে। আশার আলো দেখাচ্ছে না বানভাসিদের- কোন পক্ষ।
অতি সম্প্রতি এই হিজলা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মেঘনা ঘুরে গেছেন নৌ মন্ত্রী। হিজলা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র থেকে শুরু করে ধুল খোলা, উলানিয়া সর্বপরি মিয়ারচর চ্যালেল ঘুরে গেছেন তিনি।
মিয়ারচর ঃ মিয়ারচর, নামটি পানি সম্পাদ মন্ত্রনালয়, নৌ মন্ত্রনালয়ের খুব পরিচিত। তবে এটির অবস্থান হিজলা উপজেলার ধুলখোলার মুল ভুখন্ডে। বার বার এ চ্যানেল খাড়ি করা হলেও হিজলা উপজেলার প্রতি দায় দেনা করোর নেই। এটি বাংলার অর্থনীতিতে গতিধরা অব্যাহত রাখলেও হিজলা উপজেলা উপেক্ষিত। এ যেন পূর্ব পাকিন্তান।
মিয়ারচর- নামে আছে কাগজে নেই। তবুও এটি নিয়ে নৌ মন্ত্রনালয়ের বাড়াবাড়ি। ধুলখোলার মুখের চরের একটু সামনের স্থানটি মিয়ারচর। এ চরের পানিতে বারবার বাস্তুহারা হচ্ছে হিজলা উপজেলা সদর, পুরাতন হিজলা, বাউশিয়া, বাহেরচর, কাইছমা, হরিনাথপুর, ধুলখোলার মুল ভুখন্ড, উলানিয়াসহ বিস্তৃর্ন অঞ্চল।
হাজার হাজার কোষ্টাল, যাত্রীবাহি জাহাজ এ পথে চলছে অবিরাম। এ যেন গাফ খান চ্যানেল অথবা সুয়েজ খালের সাথে তুলনা চলে। বাংলার হৃদয় হিজলা। একে বাদ দিলে উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিমের নদী পথে যাতায়াত বন্ধ। তবুও এ আঞ্চলের দুই পাড়েরর বসতির প্রতি দায় নেই কর্তৃপক্ষের।
রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের, পদ্মার ভাড়ি যন্ত্র এ হিজলা উপজেলার বুক চিড়ে উন্নয়নের গতি ধরা অব্যাহত রেখেছে। রেখেছে পায়রা সমুদ্র বন্দরের গতিধরাকে।
বিগত কয়েকটি বর্ষায় একে একে বিলীন হিজলার উপজেলার মুল ভুখন্ড। একে রক্ষায় আগাতে পারেনি কোন পক্ষ। আর মাত্র কয়েকগজ পওে হিজলা উপজেলা পরিষদ প্রশাসনিক ভবণ। অপেক্ষার পালা উদ্ধাস্তের। লক্ষ লক্ষ কোটি মিলিয়ন বিলিয়ন অর্থ আসছে হিজলার মেঘনা নদী থেকে। এর পুরোটা থেকে বঞ্চিত হিজলাবাসি।
বার বার সরকার নদী ভাঙগনে বরাদ্ধ আসে নদী তীর রক্ষা বাঁধের জন্য। হিজলা উপজেলার বিষয়টি উপেক্ষিত। বিগত বছরে উপজেলা সংলগ্ন বাউশিয়া বাহেরচর রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেললেও হাল সনে সে চিহ্ন নেই।
বেশ কয়েক দিনের টানা বর্ষন এবং পাহাড়ি ঢল এসছে। এমন সতর্কবার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুরমা, কুশিয়ারা, উজান মেঘনা, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে হু হু করে। এ পানি ই নামবে হিজলার বুক চিড়ে। আতংকগ্রস্ত হিজলাবাসী। সরকারের প্রতি দাবি এদের বাঁচান, রক্ষা করুন এদের পৈত্রিক ভিটে। রক্ষা করুন হিজলার উপজেলার মেঘনা নদীর তীর।

200 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন