১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার ‘শূন্যস্থান’ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ – পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের  হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব) বরিশাল হিজলায় রাজনীতি না ভিক্ষা চুরি নীতি

নুরুবাবুর্চিকে কুপিয়ে হত্যা- লাশ বস্তা বেঁধে নদীতে

আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২১

সাইফুল ইসলাম, হিজলা:: মুলাদীর সীমান্তবর্তী নয়াভাঙ্গুলি নদী থেকে নুরু বাবুর্চির লাশা উদ্ধার করে মুলাদি থানা পুলিশ।মাত্র দুই ঘন্টার ব্যবধানে লাশ শনাক্ত করেন নুরুর স্ত্রী কন্যা ও বোনেরা।লাশটি হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের মৃত হাচন বাবুর্চির ছেলে নুরু বাবুর্চি।গত শনিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে নয়াভাঙ্গনী নদীর হিজলা-মুলাদী সংযোগ সেতুর উত্তর দিকে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় সংবাদ দেয়। মুলাদী থানা পুলিশ 10 আগষ্ট বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার নয়াভাঙ্গনী নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের লাশটি উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে নুরু বাবুর্চির স্ত্রী খাজিদা বেগম ও তার স্বজনরা থানায় ছুটে যান। পরে তার পড়নের লুঙ্গি, গেঞ্জি এবং মাথা দেখে লাশটি শনাক্ত করেন।
মুলাদী থানা পুলিশ জানায়, নুরু বাবুর্চিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে তার হাত-পায়ে বালুর বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। হাতের বস্তা খুলে যাওয়ায় লাশ ভেসে ওঠে।
নুরু বাবুর্চির স্ত্রী খাদিজা বেগম বলেন, গত ৭ আগস্ট তার স্বামী বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেননি। পরে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে না পেয়ে গত সোমবার হিজলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ অসীম কুমার সিকদার জিডি না নিয়ে উল্টো নুরু বাবুর্চির ছেলে ইমরান হোসেন (২০), এনামুল হোসেন (১৮) এবং এহসানকে (১৬) আটক করেন। পরে মঙ্গলবার সকালে তাদের জেল-হাজতে পাঠান। বিকালে মুলাদী থানায় লাশ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে তিনি স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন।
জিডি না নেওয়ার বিষয়ে হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ অসীম কুমার শিকদার বলেন, নুরু বাবুর্চির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছিল মামলার ভয়ে তিনি পালিয়ে থাকতে পারেন। এছাড়া তার স্ত্রীর সঙ্গে সর্বশেষ কথা বলার সময় নুরু বাবুর্চি মুলাদী থানার জনৈক কাসেমের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন। তাই তাদেরকে মুলাদী থানায় জিডি করতে বলা হয়েছিল।
তবে জিডি করতে আসা নুরু বাবুর্চির তিন ছেলেকে জেল-হাজতে প্রেরণের বিষয়ে কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি হিজলা থানার ওসি।
মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম মাকসুদুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার নয়াভাঙ্গনী নদী থেকে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তার স্বজনরা এসে লাশটি শনাক্ত করেছেন। তবে লাশটি নুরু বাবুর্চির কিনা বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিআইডির সহযোগিতা নেওয়া হবে।

793 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন