১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শিরোনাম
বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার ‘শূন্যস্থান’ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ – পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের  হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব) বরিশাল হিজলায় রাজনীতি না ভিক্ষা চুরি নীতি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্মপাশায় প্রার্থী বাছাইয়ে বর্ধিত সভা অনুষ্টিত হয়

আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২১

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাইয়ে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা অনুষ্টিত হয়। গত বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. আরফান আলী তালুকদার। সভায় ওই ইউনিয়ন ও তৃনমুল ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস, সহ- সহ সভাপতি ফকরুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শাহ আলী আকবরের নাম প্রস্তাব করেন। এসব প্রস্তাবিত নাম যাচাই বাছাইয়ের জন্য উপজেলা কমিটিতে পাঠানো হবে বলে যানা গেছে। প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব শেষে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস, সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক গোলাম আযহারুল ইসলাম দিদার পিকে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের বকসিয়ান নেতা শামীম আহমেদ বিলকিস ১৯৮৬ সালে ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিষ্টার সাথে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। এর পর ১৯৮৯ সালে ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে-৮৯ সালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএস, ১৯৮৯ সালে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ১৯৯১-৯৩ সালে ধর্মপাশা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক, ১৯৯৩-৯৮পর্যন্ত ধর্মপাশা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, ১৯৯৭-২০১৪পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালক করছেন। ২০১৪ সাল হতে এ পর্যন্ত ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দলকে সুসংগঠিত সহ দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি সার্থনিশি মহলের কোপানলে পড়ে মাত্র ৩০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এছারাও তিনি ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও অংশগ্রহন করলেও নির্বাচনের আগমুহুর্তে তিনি নির্বাচন ছেড়ে দিয়ে বসে যান।
বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ধর্মপাশা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে শামীম আহমেদ মুরাদ দলীয় নৌকা প্রতীক নিয়ে আসলেও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন স্থানীয় সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতর এর ছোট ভাই মোজাম্মেল হোসেন রোকন। ফলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পদধারী বেশীরভাগ নেতা-কর্মীই তার পক্ষে খাটলেও সাধারন সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস তিনি ছিলেন নীরব। এমতাবস্তায় বিপাকে ছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী শামীম আহমেদ মুরাদ। দলীয় সুত্রে জানা যায়, ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী হয়েছিলেন। তারা সকলেই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদের নেতা। তবে তাদের মধ্যে ২জন প্রার্থীই নির্বাচনী প্রচারনায় ছিল না। তারা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফখরুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস। নির্বাচনী প্রচারনায় ছিলেন নৌকা প্রতীক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শামীম আহমেদ মুরাদ ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি স্থানীয় সাংসদ এর ছোট ভাই মোজাম্মেল হোসেন রোকন।
এব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস তিনি বলেন, আমার জীবন শুরু আওয়ামী লীগের রাজনিতির সাথে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদশের সৈনিক বিধায় নৌকার বিপক্ষে যাওয়ার কোন সুজুগ নেই। স্থানীয় সাংসদ এর ছোট ভাই নৌকার বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্ধ›িদ্ধতা করলেও আমি ছিলাম নিরব।

96 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন