আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫

আহত ভাগ্নে হাসপাতালের বেডে
বিজয় নিউজ :: হিজলা জমির বিরোধ মেটাতে পুলিশসহ আহত – ৩। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার মাউতলা গ্রামে। এ বিষয়ে উভয়পক্ষের থানায় লিখিত অভিযোগ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাউতলা গ্রামের মামা ভাগ্নের জমি নিয়ে বিরোধ। ভাগ্নের জমি বুঝিয়ে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে ১ পুলিশ সহ ভাগ্নে রুবেল সহ তিনজন গুরুতর আহত হয়। রুবেল হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি।
হাসপাতালে আহত রুবেল মিয়া(মাল) জানান, তার মামা মোকলেছ মাল এবং তার মামাতো ভাই হাসান মাল জমি চাইতে গেলে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ ভর্তি। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলা নেয়নি। একটি পক্ষের সাথে আতাত করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এদিকে তার মা এবং খালাকেও গুরুতর আহত করে মামাতো ভাই মেহেদী হাসান, মামা মোকলেস মাল সহ ওই পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনার স্থলে উপস্থিত হলে এএসআই সালাউদ্দিনকে আহত করে প্রতিপক্ষ।
এএসআই সালাউদ্দিন জানান, মারামারি নয় নোটিশ দিতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। একপর্যায় নিভৃত করেন তিনি।
প্রতিপক্ষ মোকলেস মালের দাবি, তাদের বোনের জমি সম্পূর্ণ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন ভাগ্নেরা তার ক্রয় কৃত জমির উপর ভাগ বসাতে চাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে শালীস দরবার চলছে। মেহেদী হাসানের দাবি তিনি ঘটনার দিন বাড়ি ছিলেন না।
রুবেলের মা সাফিয়া বেগম জানান, তিনি পৈত্রিক সূত্রে ওই জমির মালিক। ভাই মোকলেস মাল তাকে জমি থেকে বঞ্চিত করেছে। জমি চাইতে গিয়েই বিরোধের সৃষ্টি। ঘরের পাশে একটি জমি কাজ করতে গেলে ভাই মোকলেছ মাল, ভাতিজা মেহেদী মাল, ভাতিজি হাজেরা বেগম, মারিয়া বেগম, রুনা আক্তার, মরিয়ম, ভাবি মাজেদা বেগম, রেবেকা বেগম সহ ১০-১২ জন তাদের উপর পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা চালায়। এতে আহত হন তারা। থানায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে একটি মহল মামলা না করার জন্য হুমকি ধামকি দিচ্ছে। ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঘটনাটি ঘটলেও অদ্য পর্যন্ত কোন সূরা হয়নি।
বাদি রুবেল এবং তার ভাই-মনির জানান, তারা ঢাকায় একটি সরকারি চাকরি করেন। বাড়ির সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। উভয় গ্রুপের দখলীয় জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছিলেন। নিজেদের জায়গায় কাজ করতে গেলে বাধা দেয় মামা। এতেই বিরোধের সৃষ্টি। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
হিজলা থানা ওসি আদিলুর রহমান জানান, উভয় পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।