১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

সিরাজদিখানে পুলিশের স্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে রহস্য

আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০১৯

বৈশাখী পুলিশ সদস্য আবুল কালামের স্ত্রী ও মালখানগর গ্রামের হুমায়ূন কবীর মামুনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। গত ২ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। আবুল কালাম ঢাকা উত্তরা এপিবিএনে কর্মরত।

সোমবার দুপুরে উপজেলার মালখানগর ভাড়া বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের দাবি। সে কি কারণে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি।

তবে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গত ৩ বছর ধরে বৈশাখীর মাঝে মাঝে মানসিক সমস্যা হয়।

সুরাইয়া আফরিন বৈশাখীর মা মীরা বেগম জানান, মানসিক সমস্যার জন্য তারা কখনও ডাক্তারের কাছে যাননি। সোমবার অনেকক্ষণ দরজা বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙ্গে দেখেন মেয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। দুপুরে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ থানায় নিয়ে আসে।

আবুল কালাম জানান, তিনি ২ দিন আগে ছুটি নিয়ে বৈশাখীদের বাড়ি সিরাজদিখান মালখানগরে এসেছেন। তাদের বিয়ে হয়েছে ২ বছর। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈশাখীকে উঠিয়ে নিবে সে আলোচনা করেছেন শ্বশুর-শাশুড়ি ও তাদের বাড়ির লোকজনের সঙ্গে।

তিনি জানান, সোমবার সকালে বৈশাখীকে নিয়ে ঘুরতেও বেরিয়েছিলেন তিনি। পরে বেলা ১১টার দিকে বৈশাখীকে বাড়িতে রেখে তিনি সাতক্ষীরার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। মাওয়া ঘাট যাওয়ার আগেই তার মোবাইলে বৈশাখীর অসুস্থতার কথা বলে ফোন এলে তিনি রাস্তা হতে ফেরত আসেন।

সিরাজদিখান থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। তবে মেয়ের বাবা-মা লাশ নিয়ে যেতে চান। তারা দু’জন লিখিত দিলে আমরা বিবেচনা করব।

140 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন