১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

কারেন্ট জালে সয়লাভ হিজলা,জেলেদের কাছ থেকে মাসোহারা প্রশাসনের

আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০১৯

বিজয় নিউজ :: অবৈধ নেটজাল বা চরগড়া এবং কারেন্ট জালে সয়লাভ হিজলার সর্বত্র। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চলছে এদের ব্যবসা। কারেন্টজাল এবং চরগড়া অবৈধ জাল হলেও হিজলায় এটি বৈধ বলে জানিয়েছে জেলেরা। মাঝেমধ্যে অভিযান হলে সে সময় সবুজ সংকেত চলে যায় জেলেদের কাছে। আর এ সংকেত পৌছে দেন উপজেলা নৌ পুলিশ কর্মকর্তা বেল্লাল হোসেন।

জেলেদের অভিযোগ মাসোহারা দেই মাছ ধরি, মাসোহারা ছাড়া মাছ ধরা মোটেও সম্ভব না। এখানে অবৈধ দেখছেন কোথায়।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি উপজেলার মৎস্য অফিস, কোষ্টগার্ড এবং নৌ পুলিশ তিনটি দপ্তর কাছাকাছি থাকতেও এই অবৈধ জাল বন্ধ করতে পারছে না প্রশাসন। আসল ব্যাপার কী। এটি প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া বৈ কি ?

স্থানীয় অসহায় জেলেদের অভিযোগ নৌপুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ বেল্লাল হোসেন মাসোহারার মাধ্যমে রড় রড় জেলেদের নৌকা এবং জাল আটক না করে গরিব অসহায় জেলেদের জাল আটক করে। যা শুধু লোক দেখানো। ইনচার্জ বেল্লালের ঐ নেটওয়ার্কে রয়েছে বাউশিয়া বেড়জালের হানিফ, বাচ্চু হাওলাদার, কালা বেপারী, হালান হাওলাদার, কাদের গাজি, বেল্লাল মিশোরী, বাদশা মোল্লা, নাসির ফকির, আলীগঞ্জের আমির সরদার, চর কিল্লার রকমান চোকদার, শাহআলম দেওয়ান,হিজলাগৌরব্দীর আলাউদ্দিন দফাদার, ইসমাইল সরদার, তৈয়ব মুন্সী সহ একাধিক চরগড়া বা বেড় জালের এবং কারেন্ট জালের মালিক। মাস গেলেই এরা বেল্লালকে খুশি করে তাদের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে মাছ শুন্য হয়ে পড়েছে হিজলার নদ নদী।

অভিযোগ রয়েছে চিংড়ির রেনু পোনা বিক্রেতা জসিম সরদারের সাথে অনৈক ব্যবসা রয়েছে নৌ পুলিশের ইনচার্জ বেল্লাল হোসেনের। সিজনের আগেই তাদের সাথে একটি চুক্তি থাকে চিংড়ি ব্যবসায়ীদের। মাসিক মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ইনচার্জ বেল্লাল হোসেন এদের নিরাপদ রুটে হানা না দিয়ে নামকাওয়াস্তে অভিযানে নামেন মেঘনায়। বর্তমান জাটকা ইলিশ মৌসুম। এ মৌসুমেও ঐ জেলেদের একটি সংযোগ রয়েছে নৌ পুলিশ ইনচার্জ বেল্লাল হোসেনের। ইতোমধ্য জসিমকে নৌ পুলিশের দপ্তরে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।

তবে তার অফিসে কাজ কি এমন প্রশ্নে এড়িয়ে যান জসিম সরদার।নৌ পুলিশের ইনচার্জ বেল্লাল হোসেনের সাথে আলাপ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

120 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন