১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

হিজলায় পিয়াজ কিনতে গিয়ে দোকানদারকে লাঞ্ছিত করল শিক্ষক

আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০

বিজয় নিউজ :: আজ শনিবার ১১ জানুয়ারি সকাল ৮:৩০ মিনিটের সময় স্থানীয় টেকের বাজার এক বয়বৃদ্ধ দোকানদারকে লাঞ্ছিত করলো প্রধান শিক্ষক গিয়াস। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বাজার ব্যবসায়ী হাশেম হাওলাদর শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনকে পিয়াজ মেপে দিচ্ছিলেন।

মাপের চেয়ে বেশী হওয়াতে ঐ পিয়াজের একটি অংশ রেখে দেন দোকাদার। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানের মধ্যে শিক্ষক গিয়াস বৃদ্ধ ব্যবসায়ীকে চর থাপ্পর দিতে থাকে। এক পর্যায় শিক্ষককে নিবৃত করেন পার্শ্ববর্তী দোকানদার রা।

অবশেষে বিষয়টি মিটমাট করার জন্য শিক্ষক গিয়াসের শ্বশুর ইসমাইল হোসেন রাড়ি ( বড়জালিয়া ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি) বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। এতে কোন দোকানদার শায় না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হন গিয়াস পক্ষ।
কে এই গিয়াস ঃ এক সময় বাউন্ডেল-বখাটে গিয়াস। কোন মতে শিক্ষক, বাড়ি বর্তমান জয়নগর ইউনিয়নে। হালে হিজলায় অবস্থান। ইসমাইল হোসেন রাড়ির বড়কন্যা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমার স্বামী। আন্ধারমানিক ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান আঃ রহমান এর চামচা।

বিএনপির সক্রিয় সদস্য-কর্মী। হালে দাদা লীগ। ক্ষমতার পালাবদলে পংকজ নাথের আগাগোড়া সমর্থক। এমপির প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় ভাবে চলেন দোদন্ড প্রতাপে। ১ নং আন্ধারমানিক ইউনিয়ন আন্ধারমানিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন স্কুলে শিক্ষকতা করার প্রয়োজন পরে না। দাদার আর্শীবাদে তার স্কুল পরিচালিত হয়। বেতন ভাতা পৌছে যায় বাড়িতে।

হালে তিনি বড়জালিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের দাদালীগের ৩য় ব্যাক্তি। তার দাপটে চলে উপজেলা সদর টেকের বাজারসহ দল ও দলীয় কার্যক্রম। বিষয়টি থেকে নিস্তার চায় স্থানীয় জনতা।

বাজারের দোকানদার এর সাথে হাতাহাতির বিষয় তার কাছে জানতে চাইলে জানান- একটু কথা কাটাকাটি হয়েছে বেশী কিছু না। হাশেম হাওলাদার এর সাথে আলাপকালে জানান- তারা ক্ষমতাসীন লোক। স্ত্রী ভাইস চেয়ারম্যান। এক কথায় দাদার লোক। তারা কোন অন্যায় করলে তার বিচার দেব কার কাছে। দেখি আল্লাহ বিচার করে কি না। বাজারের অপরাপর ব্যবসায়ীরা জানান- বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় আমরা কোন মন্তব্য করব না। দল যা করে—–।

142 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন