
আপডেট: জুন ২৪, ২০২১
সাইফুল ইসলাম,হিজলা:: সিনেমা স্টাইলে কাজিরহাটের আন্ধারমানিক গ্রামে সন্ত্রাসী হামলা। ৫জনকে কুপিয়ে জখম,বসতঘর লুটপাট, ভিটা নিশ্চিহ্ন করে ভিটির মাটিও তুলে নিয়েগেছে সন্ত্রাসীরা। তিন দিন পরে কাজির হাট থানায় মামলা। থানা পুলিশের মামলা নিয়ে লুকোচুরি, গরিমসি। পা হারিয়ে আহত মোকছেদ খান সেবাচিমে। এ ঘটনায় আটক নজরুল ইসলাম নজুেক আটক করে পুলিশ।
আহত ৮০ বছরের শাফিয়া খাতুন জানান, শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে তান্ডব চালায় প্রতিপক্ষরা। শতাধিক লোকজন এসে প্রথমেই তার পুত্র মোকছেদ খানকে এলোপাথারি আঘাত করে। তার পায়ের রগ কেটে দেয়। বৃদ্ধ মানুষ আমি পুত্রকে বাঁচাতে গেলে হাতটি ভেঙ্গে দেয় তারা। তার পুত্রের দোকানে লুটপাট চালায়। সাথে সাথে তার বসত ঘর উচ্ছেদ করে ঘরের সকল মালামাল, গোয়ালঘর, পাকের ঘর নিমিশেই নিখোজ করে ফেলে সন্ত্রাসী বাহিনী। ঘরের ভিটির মাটি পর্যন্ত নিয়েগেছে।
আক্ষেপকরে জানান এলাকার মেম্বার, চেয়ারম্যান কোন ব্যাক্তিই তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি। তাদের বসতঘরের চাল ঢাল দিয়ে এখন সন্ত্রাসী পক্ষ সংসার চালাচ্ছে। টাকার বস্তা নিয়ে আসছেন, থানা কিনে নিয়েছেন, পুলিশ তাদের পকেটের লোক।
স্থানীয় সুলতান খান, নুর ইসলাম হাওলাদার জানান, কাজির হাট থানা পুলিশ তদন্তে আসার কথা এখনও আসেনি। এ তান্ডব জীবনে দেখিনি। মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যে একটি বাড়ি গুড়িয়ে দিয়ে সমতল ভুমি বানিয়েছে। এখন দেখলে মনে হবে এখানে কিছুই ছিল না। তবে চিহ্ন হিসাবে রয়েগেছে বিদ্যুতের তার। এটি এখন ঝুলছে খুটির সাথে। মিটারটিও ভেঙ্গেদিয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে শুনছি, পুলিশ দেখিনি। এদিকে আসামী নজরুল ইসলাম আজ মঙ্গলবার ঐ জমিতে কলাগাছ লাগিয়েছে। হুমকি দিচ্ছে আবার সিনেমা দেখাবে।
তাদের দাবি মঙ্গলবার সারেবারোটা/একটার দিকে কাজিরহাট থানা পুলিশ মামলার ১নং আসামী নজরুল ইসলাম হাওলাদারকে ধরে নিয়েগেছে। কাজিরহাট থানার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেন নি।
প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম, কাদের হাং, রুহুল আমিন চান্দুর সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে কাউকে পাওয়া যায়নি।
মামলার সূত্রে জানাযায় একই ঘটনায় ১৮ জুন আবেদন করলেও কাজিরহাট থানা ঐ মামলা ঘটনার তারিখ ১ মাস আগ দেখিয়ে ২১ জুন মামলাটি নথিভুক্ত করেন। ওসি কাজিরহাট থানা এর নস্বরে ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।