২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

ধর্মপাশায়-মধ্যনগর বাজার ইজারাদার কর্তৃক দ্বিগুন হারে টোল আদায় ক্রেতাদের মাঝে অনীহা

আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২১

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ):; সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগর বাজার ইজারাদার কর্তৃক দ্বিগুন হারে টোল আদায় ক্রেতা বিক্রেতার মাঝে অনীহা দেখা দিয়েছে। সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি মহালে শতকারা ৩ হতে সাড়ে ৫টাকা হারে টোল আদায়ের কথা থাকলেও মহালদার তা না মেনে দ্বিগুন হারে টোল আদায় করছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রতিটি মহালে নির্ধারিত মূল্য তালিকার সাইন র্বোড অনুযায়ী রিসিটের মাধ্যমে টোল আদায়ের নির্দেশনা দিলেও মধ্যনগর বাজার অসাধু ইজারা, স্থানীয় কিছু দালাল নিয়ে দাপটের সহিত শতকরা ১০ হতে ১৫ টাকা হারে টোল আদায় করতে দেখা যায়।


হাওর বেষ্টিত ভাটি এলাকার সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগর একটি প্রাচীন বাজার সপ্তাহে প্রতি শনিবার হাট বার। একটি প্রভাত বাক্য রয়েছে যে বালু পাথর, ধান-মাছ সুনামগঞ্জের প্রাণ। প্রতিশনিবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতারা ওই বাজারে এসে পন্য ক্রয়-বিক্রয় করলেও ইজারাদারদের অসৎ আচরনে বাজারটি নষ্ট হওয়ার আসংখ্যা দেখা দিয়েছে। এতে সরকার প্রতি বছর কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ার আসংখ্যা দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে বাঁশ মহাল, নৌকা মহাল, ত্রিফাল মহাল ও কাঠ মহালে দ্বিগুন হারে টোল আদায় করছে বলে বাজারে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগ।
এব্যাপারে মধ্যনগর ইউপির আনোয়ারপুর গ্রামের কৃষক লাল মিয়া, অভিযোগ করে বলেন, তিনি ৭ হাজার টাকা দিয়ে একটি নৌকা কিনেছেন। ইজারাদার তার রিসিট বইয়ে ৭ হাকার টাকা লিখলেও টোল আদায়ের ৯০০ টাকা রিসিটে উল্লেখ করেননি ইজারাদার। একই মন্তব্য জামালগঞ্জ উপজেলার আসানপুর গ্রামের মহিবুল, চামরদানী ইউপির আমজোড়া গ্রামের লিয়াখত আলী। বংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউপির পলমাটি গ্রামের কৃষক শাহ্ আলম অভিযোগ কওে বলেন, গত শনিবার মধ্যনগর বাজারে বাশ কিনতে গিয়ে ২১০০ টাকার বাশ কিনলে ইজারাদার সেলবরষ ইউপির মাটিকাটা গ্রামের জিটু মিয়া তার কাছ থেকে ৩৫০ টাকা টোল আদায় করছে। ইজারাদারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের শেষ নেই। একই চিত্র কাঠ মহাল ও ত্রিফাল মহালেও। ইজারাদারদের জুলোমের কারনে শুনামধন্য বাজারটি অচিরেই বন্ধ হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। এতে সরকার প্রতি বছর কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
এজারাদার ইসতিয়াক হোসেন চৌধুরী (স্বপন) তিনি বলেন,চলতি বছর আমার প্রতিপক্ষ গ্রুপের সাথে কমপিটিশন করতে গিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকায় বাজারটি পেয়েছি। তবে যারা টোল আদায় করছে তাদেরকে বলে দিব কমায়ে টোল আদায় করতে। আপনি এব্যাপারে লেখালেখীর প্রয়োজন নেই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মালিক পক্ষকে ডেকে এনে বলেছি প্রতিটি মহালে টোল আদায়ের নির্ধারিত মূল্য তালিকা টানানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছি। তবে করোনার জন্য মোবাইল কোট পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে যেকোন একদিন হাটবারে অভিযান চলবে।

211 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন