২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

হিজলা রক্ষা বাঁধে ঠিকাদারের নয়-ছয় পানি উন্নয়ন বোর্ড উদাসিন

আপডেট: জুন ৩, ২০২২

সাইফুল ইসলাম :: আর কত দেরি হিজলা উপজেলা রক্ষা বাঁধের! ইতোমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এমপির উপজেলা সদরে ব্রীজ এখন হুমকীর মুখে। বালি ব্যাবসায়ীর লাভের আশায় সচিব মহোদয়ের কথাও আটকে গেলো বালির বস্তায়। বাস্তবতা কতদুর !


ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার বস্তা এনে বাধ এলাকায় রাখলে বালি ঢুকছে না বস্তায়। এ নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বকুল চন্আদ্সর কবিরাজ জানান, এমপি, পানি উন্নয়বোর্যের সচিব মহোদয়ের কথা মানছে না ঠিকাদার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ও গাফিলতি রয়েছে। এমনটাই দাবি তার।
ধেয়ে বর্ষা, ঘুর্ণিঝড়, ইতোমধ্যে আবহাওয়া অফিস নদীবন্দর গুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছেন।
বিগত মাসেও স্কুল রাস্তা সচল থাকলেও এখন এমপি এবং সচিবের আশ্বাসের ভরসা রাখতে পারছেন না এলকাবাসি।
এমপির হাতের তৈরী ব্রীজ বিলীনের পথে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাম সাইক্লোন সেল্টার এর পাইলিং এখন মেঘনায়। যে কোন মুহুর্তে নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে সাইক্লোন সেল্টার ভবণটি। এমনটা দাবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঃ গাফ্ফারের।


বড়জালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন হাওলাদার জানান,সরকার অবশ্য বাঁধ রক্ষায় ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেন।ঠিকাদারকে রুখবে কে ? নিয়ন্ত্রন করে কে ? আমাদের কপাল খারাপ।
স্থানীয় ঠিকাদার নুর ইসলাম জানন, তিনি কাজ শুরু কেরেছেন, শ্রমিক সমস্যায় ভুগছেন বলে দাবি তার।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জন্টু হাওলাদার জানান, ঠিকাদার আমাদের সাথে মশকারা করছে। ৩ কোটি চাকার বালি এখানে পড়বে এমনটাই শুনেছি। এখনও ঠিকাদার ১০ বস্তা জিও ব্যাগ ভরতে পারছেন না। একমাস হয় তিনি কাজটি ঝুলিয়ে রাখছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোক জন আসে আর ঠিকাদারের সাথে শলাপরামর্শ করে চলে যায়।

246 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন