২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

মধ্যনগরে ত্রান চাওয়ায় কিশোরকে মারধর, বৃদ্ধ বাবাকে অপমান বিষ পানে আহত

আপডেট: জুলাই ১২, ২০২২

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগরে বন্যায় পানিবন্দি অসহায় এক পরিবারের সন্তান সজীব (১৭) নামের এক কিশোরকে অভাবের তারানায় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে ত্রানের জন্য গেলে চেয়ারম্যান থাকে মারধর ও তার বৃদ্ধ মাছ ব্যবসায়ী বাবা মনজুরুল হককে (৬০) অপমান করায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযো। সজীব এই অপমান শইতে না পেরে বিষ পানে আতœহত্যার চেষ্টা
গত বুধবার বিকাল দিকে উপজেলার মধ্যনগর সদর ইউপি চেয়ারম্যান তার পরিষদের একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মধ্যনগর সদর ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জীব রঞ্জন তালুকদার টিটু। আহত কিশোরকে ওই দিন বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
কিশোর সজীব মিয়ার বাবা দিনমজুর মনজুরুল হক অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা সোয়া একটার দিকে মধ্যনগর বাজারের দক্ষিণ পাশে কাঠ মহাল ও ট্রলার ঘাটে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মধ্যনগর ইউপির সদর ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জীব রঞ্জন তালুকদার টিটু ও তার পরিষদের সদস্য সদস্যাদের নিয়ে ত্রান সামগ্রী বিতরন করছিলেন। বন্যার পানিতে তাঁদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর ছেলে সজীব মিয়া (১৭) অন্য বন্যার্ত মানুষের সঙ্গে ত্রান আনতে যায়। এসময় চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ করে কয়েকবার সে ত্রান সহায়তা চাইলে চেয়ারম্যান সঞ্জীব রঞ্জন তালুকদার বিরক্ত হন। পরে সজীবকে ইউনিয়ন পরিষদে যেতে বলা হয়। সেখানে গেলে পরিষদের একটি কক্ষে চেয়ারম্যান তাকে চড়,লাথি ও কিল-ঘুষি মারেন চেয়ারম্যান। তার বাবা খবর পেয়ে সেখানে গেলে চেয়ারম্যান তাঁকেও (মনজুরুলকে)বিভিন্ন অজুহাতে কটুর কথা বলে অপমান করেন।একপর্যায়ে তার ছেলেকে সেখান থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করলেও সজীব চেয়ারম্যানের প্রহান ও অপমান শইতে না পেরে বিষ পানকরে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি আশপাশের লোকজন টের পেয়ে আহত সজীবকে পার্শবর্তী নেত্রকোনার কলমাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের শালীহানী গ্রামের নতুন পাড়ার বাসীন্দা দিনমজুর মাছ ব্যবসায়ী মনজুরুল হক বলেন আমার ছেলের অপরাদ ছিল সে ত্রানের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে কেন গেল। তাই আমার ছেলে অসুস্থ ক্ষুধার তারানায় জরনিয়ে ত্রানের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে ছিল। চেয়ারম্যান আমার ছেলেকে মারপিট করে বলে আমার ছেলে নাকি ন্যাশা গ্রস্থ ছিল। আমি এর শুক্ষ বিচার চাই।
ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জীব রঞ্জন তালুকদার টিটু বলেন, সেনাবাহিনীর ত্রান সামগ্রী টুকেনের মাধ্যমে যাদের নাম তালিকায় রয়েছে তারাই ত্রান পেয়েছে। ওই ছেলেটি ত্রান না পেয়ে ন্যাশা করে পরিষদে এসে আমাকে গালি গালাজ করায় থাকে আপকিয়ে রেখে তার বাবাকে খবর দিয়ে এনে বিছার দিয়েছি। আমি থাকে মারপিট করিনি।

191 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন