২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

ধর্মপাশায় ইজারাকৃত জলমহালে বেড়ীবাঁধ কেটে মাছ লুটের অভিযোগে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২২

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম পলাশের বিরুদ্ধে জলমহালে নানান অনিয়মের অভিযোগ এনে ধর্মপাশা উপজেলা প্রেসক্লামে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে।
গতকাল দুপুর ১২টার দিদে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসীন্দা ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সদস্য সাবেক ইউপি সদস্য কামাল হোসেন সাংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য বলেন, পাইকুরাটি ইউনিয়নের রাজাপুর মৌজায় সেলিমখালী খাল ও শালকুমড়ার কাড়া নামক ৮ একর ১০শতক জলাশয়টি চলিত বাংলা সনের ৩০ চৈত্র পর্যন্ত খাসকালেকর মাধ্যেমে গত ৮ আগষ্ট উপজেলা প্রশাসন থেকে ইজারা পান। ঐ জলমহালে ম্যসৎ আহরনের জন্য বাঁস কাঠা ও পাহারাদার নিয়োজিত কে তিনি সেখানে ম্যসৎ সংরক্ষন করে আসছিলেন। নানাবিধ কারন দেখিয়ে তার খালেক জলাশয়টি বাতিলকরে দেয় উপজেলা প্রশাসন। খাসকালেকশনটি বাতিল করায় ওই শ্রমিক লীগ নেতা এ নিয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর খাসকালেকশনর বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি মামলা করেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর আদালন তার পক্ষে রায় দেন। আদালনের রায় পেয়ে তিনি পুনরায় দখলে যান। কিন্তু উপজেলা সদর ইউনিয়নের দেওলা গ্রামের বাসীন্দা ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম পলাশ গত ৫ অক্টোবর বিকাল ৪টার দিকে ২০-২৫ জন লোক নিয়ে সেলিমখালী খাল ও শালকোমড়া কাড়া জলাশয়টিতে যান। এসময় কারা জলাশয়ের মাছ শিকারের জন্য পেতে রাখা রাজেল সমস্ত মাছ নিয়ে আসে। শুধু তাই নয় জলাশয়ে থাকা বাঁস ও ডাল পালা তুলে নিয়ে যায়। এতে জলাশয়টির লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাদন করে। তিনি আরো উল্লেখ্য করেন তরিকুল ইসলাম ক্ষমতার প্রভাব কাটিয়ে মাস কানিক ধরে লোকজন নিয়োজিত করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধিন চন্দ্র সোনারথাল হাওরের ৮৫, ৮৬, ৮৭ ও ৮৮ নং প্রকল্পের বাঁধ কেটে অবৈধভাবে ভিমজাল পেতে মাছ শিকারকরে আসচ্ছে।
কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনার পর পরেই মোবাইল ফোনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার অফিসার ইনর্চাজকে জানিয়েছি। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তরিকুল ইসলাম পলাশ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরধরে এ কাজটি করেছেন।
এব্যাপারে তরিকুল ইসলাম পলাশ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি অস্বিকার করে বলেন এতে আমার কোন প্রকার সম্পৃক্ততানেই। কামাল নিজেই ফসলরক্ষা বাঁধকেটে মাছ শিকারকরে আসচ্ছে। এতে প্রতিবাদ করায় প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে সে আমাকে বিপাকে ফেলতে মিথ্যা অপবাদ রটাছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুনতাসির হাসান বলেন নিজের স্বার্থসিদ্ধিও জন্য সরকারি সম্পদ যারাই বি নষ্ট করুকনা কেন সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, কামাল হোসেন ঘঠনাটি আমাকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন। তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।

275 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন