২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

মহেষখলায় বিজিডির চাউল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৩

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)::সুনামগঞ্জের নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলাধীন উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের বিজিডি কার্ডধারী সুবিধা বঞ্চিত ভূক্তভোগী দুই মহিলা সাত মাস ধরে বিজিডির চাল না পেয়ে ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গতকাল বুধবার ধর্মপাশা উপজেলা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।
উপজেলার উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর গ্রামের বিজিডি কার্ডধারী সুবিধাভোগী মোছাঃ আয়েশা খাতুন (৪১) কার্ড নম্বর ৯০,স্বামী আঃ রাজ্জাক। ওই ভূক্তভোগী গতকাল বুধবার বাদী হয়ে উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুরনবী তালুকদার (৫০) পিতা মৃত মিরাজ আলী, সাং রুপনগর ও ইউপি সদস্য মোঃ আমিনুল ইসলাম (৩০) পিতা খোরশেদ আলম সাং রামপুর। ওই দু জনকে আসামী করে গতকাল বুধবার ধর্মপাশা উপজেলা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
বঞ্চিত ওপর ব্যক্তি একই গ্রামের মোছাঃ রোহেলা খাতুন (৪৯) কার্ড নম্বর ৭৭,স্বামী মোঃ আব্বাছ আলী, সাং রামপুর ইউপি বংশীকুন্ডা উত্তর। তিনিও সাত মাসের বিজিডির চাল না পেয়ে ওই ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুরনবী তালুকদার ও তার পরিষদের সদস্য আমিনুল ইসলামকে আসামী করে একই সময়ে ওই মামলাটি দায়ের করা হয়।
সুবিধা বঞ্চিত মোছাঃ আয়েশা খাতুন ও মোছাঃ রোহেলা খাতুন বলেন, আমরা গরিব অসহায় বিজিডির চাউল আমাদের এক মাত্র অবলম্বন, প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাউল পাই ওই চাউল দিয়ে সংসারের চাহিদা মিটাই। চেয়ারম্যান নুরনবী ও তার অনুসরনকারী ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম বিগত সাত মাস ধরে আমাদেরকে বিজিডির চাউল না দিয়ে ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
এব্যাপারে উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী তালুকদারের মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা লম্বা ইতিহাস। এখন আমি গ্রামে একটা মিটিংয়ে আছি। পরে কথা বলবো।

184 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন