
আপডেট: মে ২৮, ২০২৩
বিজয় নিউজ ডেস্ক :: হিজলার ডাইয়ার চর নিয়ে ত্রিমুখী সংঘাত। কয়েক শত কৃষকের মাথায় বাজ। দুই দালালের পকেট ভারী। সুবিধাভোগী নিখোজ। প্রতিকার চেয়ে কৃষক এখন আদালতে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে হিজলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি মৌজা ডাইয়া। স্বাধীনতার পরে এটি মেঘনায় বিলীন। বর্তমানে এটি নতুন চর। এখানে কৃষক ফলাচ্ছেন ধান, সয়াবিন, মরিচ, পাট-কোষ্টাসহ নানা ধরনের ফসল। এতে হানা দিচ্ছে এক শ্রেনীর ভুমি দস্যু লাটিয়াল। কৌশলে এদের কাজ জমি নিজেদের কজ্বায় নেয়া।কখনও কম মূল্যে কখনও ভিন্ন কৌশলে চর নিয়ন্ত্রনে নেয়া। এদের দু’জন দালাল সরকারি চাকুরীজীবী ছত্তার হাওলাদার এবং জুলহাস হাওলাদার।

অভিযোগ করে হানিফ হাওলাদার জানান, পূর্বডাইয়া মৌজার স্থানীয় ভাবে তিনশত কানি জমি এখন ফসলী । এর কিছু অংশে চর। সেখানে স্থানীয়ভাবে চরগড়া, বেন্দিজাল, চাইসহ নানা কায়দায় মাছ অহরিত হয়। প্রতি বছর এ চর কয়েক লক্ষ টাকায় ইজারা দেয়া হয়। তবে ইজারার টাকা সরকারের কোষাগারে জমা না হয়ে হচ্ছে ব্যাক্তির পকেটে। এর সুবিধা ভোগ করেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। প্রকৃত জমির মালিক হন প্রতারিত।সেখানেই বিরোধ।নিজের জমি রক্ষার্থে আদালতে মামলা করেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক হানিফ হাওলাদার, রশিদ হাওলাদার, বাদশা হাওলাদর সহ একাধিক ব্যাক্তি জানান, তাদেরই অংশিদার জুলহাস হাওলাদার, ছত্তার হাওলাদার। তাদের সাথে পরামর্শ না করে সম্পূর্নচর ইট ভাটার জন্য বিক্রি করে দেন শহিদ মেলকারের কাছে। অপর আর একটি গ্রুপ একই জমি বিক্রি করেন খায়ের মৃধার কাছে।এ নিয়ে তারা হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন।
জুলহাস এবং ছত্তার হাওলাদার জানান, তারা তাদের জমি বিক্রি করেছেন, হানিফ হাওলাদারের না।
খায়ের মৃধা জানান, দির্ঘদিন যাবত তিনি ঐ জমি ভোগদখল করে আসছেন।আবার ঐ চরের রেকডিয় মালিক। সে হিসাবেই তিনি চর রক্ষনাবেক্ষন করে আসছেন।অপরদিকে জাহের মিয়র দাবি একই চর মালিকানা সূত্রে তারা দাবিদার। ক্ষমতার জোরে খায়ের মৃধা জমি ভোগ করে আসছেন। এবার তাদের জমি থেকে উঠিয়ে দেয়া হয়েছে।চার ফসলী এ জমি স্থানীয় ইবিসি ইটভাটার মালিক শহিদ মেলকারের কাছে ইজারা দেয়া হয়েছে। তা নিয়েই দ্বন্দ্ব।
ইঅিরবিসি ইটভাটার মালিক শহিদ মেলকার জানান, চরটি নতুন। স্থানীয় জুলহাস এবং ছত্তার হাওলাদারের কাছ থেকে দশ বছরের চুক্তিতে ইটভাটার জন্য ইজারা নিয়েছেন তিনি। জোর করে নয়।