
আপডেট: মে ২৯, ২০২৩
হিজলা প্রতিনিধি :: গত ৭ দিনেও ফকরুলে হামলাকারিদের চিহ্নিত করতে পারেনি হিজলা থানা পুলিশ। আসামী বহাল তবিয়তে। ক্ষোভ বাড়ছে পক্ষে বিপক্ষে।জামিনে এসেই হত্যার হুমকী।

বরিশালের হিজলা উপজেলার হিজলা গৌরব্দী ইউিনয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও মান্দ্রা বাজারের ব্যবসায়ী ফকরুল ইসলাম বেপারীর উপর পুর্ব প্ররিকল্পিত হামলা চালায় স্থানীয় খলিল জমাদ্দার, আলমগীর মৃধা,বিপ্লব, জাকির মাঝী,ইসমাইল, হাবীব,কামাল,সিরাজ মামুন,মিরাজ সহ ২০/২৫ জনের একটি গ্রুপ। এ নিয়ে হিজলা থানায় মামলা হলেও আসামী খুজে পাচ্ছে না থানা পুলিশ। এমন অভিযোগ ফকরুল ইসলাম এর। তার দাবি এরা প্রত্যেকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মিলন এর অনুসারী। জামিনে এসেই তার পক্ষকে মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যে।
ইউনিয়নের মান্দ্রা বাজারে ২৪ মে রোজ বুধবার বেলা ১২ টার দিকে বিএনপির এক কর্মীকে শাসানোই কাল হয়েছে ফকরুলের। আলমগীর মৃধা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ও আ’লীগকে কটাক্ষ করায় প্রতিবাদ করেন ফকরুল। বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি আ’লীগের একটি গ্রুপ। ঐ গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন খলিল জমাদ্দার, জাকির মাঝি, ফারুক মাঝি, সিরাজ মাঝি, কামাল মাঝি, মামুন মাঝি, মিরাজ সরদার, হাবিব হাওলাদার, নাসির মাঝি, মেহেদি মোল্লা, বিপ্লব চৌকিদার সহ একাধিক ব্যাক্তি। এরা প্রত্যেকে মিলন চেয়ারম্যান অনুসারী বলে দাবি ফকরুলের ভাই মনির বেপারীর। তাদের অতর্কিত হামলায় আহত হন কার ভাই। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার না করলে ভাইকে ঐদিন ই হত্যা করা হতো। এখন আসামীরা কোট থেকে জামিনে এসেই মাদ্রা বাজারে মহরা দিচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে ঘোষনাও দিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি থানা পুলিশ কোন ধরণের পদক্ষে নিচ্ছেন না বলে জানান মনির।
এরা দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সাথে জরিত। এদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসি। এদের একটি সঙ্ঘবদ্ধ চেরাইগ্রুপ রয়েছে। রয়েছে মাদক কারবারের সিন্ডিকেট। এটিকে বন্ধকরতে পারলে এলাকায় অসেকটা শান্তি বিরাজ করবে বলে দাবি স্থানীয়দের।
আহতদের দেখতে তাৎখনিক উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক এনায়েত হোসেন হাওলাদার দেখতে যান। তিনিও প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্দে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। মামলার ধীরগতি নিয়ে তিনিও হতাশা প্রকাশ করেন।
হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন হিজলা থানা পুলিশ। মামলা হয়েছে। আসামী ধরতে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে।