
আপডেট: মে ২৯, ২০২৩
সাইফুল ইসলাম হিজলা থেকে :: হিজলায় ৫ চোরাই গরু উদ্ধার।চোর নিখোজ।গরুগুলো হিজলা থানায়।স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহলের ছাড়িয়ে নিতে মরিয়া।
বরিশালের দুটি ইউনিয়নের নাম হিজলা গৌরব্দী ও ধুলখোলা ইউনিয়ন। এখানে গরু চোর এবং গরু চুরি দুটোই নিত্য দিনের সংঙ্গী।বরিশাল জেলা পুলিশসুপার, হিজলা থানাপুলিশ, নৌ পুলিশ বার বার হানা দিয়েও ব্যার্থ। এ যেন চোরাই গরুর খনি।গত শুনবার হিজলা থানা পুলিশে গরু চুরি সংবাদ দিলে ৫টি চোরাইগরু উদ্ধার করে হিজলা খানা পুলিশের এস আই ইদ্রিস। তবে চোর না।
স্থানীয় সূত্র জানায় গভীর রাতে জনৈক এক পাতি নেতা চোরের দলের পেশাদার গরুচোর ধলুবেপারী, সুলতান বেপারী এবং বোবা রত্তন পুত্র লিটনের বন্ধু ভোলার নিজামের সাথে চুরির বিষয়টি আলাপ করছিল। বিষয়টি সেখানেই বিপত্তি।স্থানীয়রা মিলে রাতজেগে পুলিশে খবর দিলে থানা পুলিশের এসআই ইদ্রিস চোরাই গরুগুলো ধলু ও সুলতান বেপারী বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। তার দাবি গরুর মালিক বা কারো বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি জানান, ধলু বেপারী, সবুজ বেপারী, মজু বেপারী সহ একটি চক্র প্রতি রাতেই বিভিন্ন এলকা থেকে নির্জন এলাকা হিজলাগৌরব্দী ও ধুলখোলার বিভিন্ন চরে নিয়ে আসে। ঐ রাতে চোরের দল ধলুর ট্রলারে করে রাতেই বিভিন্ন বাড়িতে পাচার করতে গেলে স্থানীয়দের নজরে আসে। অপরদিকে চোরদের গুরু তাৎখনিক গরুগুলো ছাড়িয়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠে।পুলি এবং স্থানীয়দের চাপে গরু ও ট্রলার থানা পুলিশ আটক করতে বাধ্য হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন দফাদার জানান, এরা পেশাদার গরু চোর। বিষয়টি স্থানীয়রা সবাই জানে। বেশ ক’বার পুলিশে দিলেও তাদের কার্যক্রম চলতে থাকে।
মেম্বার জাহের আকন জানান, বিষয়টি শুনছি। ঐ গরু চোরের হাতে চলে যাবে। এর আগে তিনি এর বিরোধিতা করতে গিয়ে অঞ্ছিত হয়েছেন। এ নিয়ে কোন মন্তব্য বরতে নারাজ। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ধরেন সব পাবেন। তারাই এদের লালন পালন করে। তারাই ভাগ খান।
স্থানীয় কবির শিকদার জানান, চোরাই গরু পাই। ট্রলার পাই, চোর পাই না। আমরা জনপ্রতিনিধরা পুলিশ না। আমরা সবাই চোর। কার বিচার করব।
ডাকাত মজু বেপারী জানান, তার ট্রলার বোবা রত্তনের ছেলে লিটনের বন্ধু নিজামের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনি স্থানে নাই। এ ব্যপারে তিনি কিছু জানে না।স্থানীয়দের ভাষ্য নিজাম ভোলার ছেলে তিনি একজন পেষাদার ডাকাত। এদের সাথে ঐ গ্রুপটির সখ্যতা দির্ঘদিনের।
এসআই ইদ্রিছ জানান, তিনি ৫টি গরু ও একটি ট্রলার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। স্থানীয় নেতাদের তদবির ছিল তারা গরুগুলো তাদের জিম্মায় রাখবেন। ওসির নির্দেশে গরুও ট্রলার থানায় নিয়ে আসা হয়। মামলা হবে।