নাসির উদ্দিনের ভাষ্যমতে, তার সাবেক স্ত্রী সুমি বেগমের সঙ্গে দুই বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পর সুমি তার বাবার বাড়ি চলে যান। তবে বিচ্ছেদের কিছুদিন পর হঠাৎ এক রাতে ভাড়া করে লোক জন নিয়ে সুমি বেগম নবগ্রাম রোডস্থ নাসির উদ্দিনের বাসভবনের তালা ভেঙে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন। ওই ঘটনায় তখন বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
নাসির উদ্দিন আরও অভিযোগ করেন যে, ২০১৭ সালে সুমি বেগম তার জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়স কমিয়ে এবং নিজেকে ‘কুমারী’ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তাকে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের পর থেকে সুমি ও তার সহযোগীরা নাসিরকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছেন। এমনকি সুমির আগের পক্ষের সন্তান তামিম ও তানিশা আক্তার তারিন এবং বর্তমান স্বামী আঃ রহমানসহ ১০/১২ জন মিলে নাসিরের ওপর অতর্কিত হামলাও চালায়। এই ঘটনায়ও বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ঘরবাড়ি জবরদখল করার অভিযোগে নাসির উদ্দিন আদালতের শরণাপন্ন হন।
নাসির উদ্দিনের দাবি, তার দায়ের করা মামলাগুলোতে আদালত থেকে সমন ও ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর প্রতিহিংসাবশত সুমি বেগম তার আগের পক্ষের মেয়ে তানিশা আক্তার তারিনকে দিয়ে এই মিথ্যা ধর্ষণ মামলাটি করিয়েছেন। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে: সিআর মামলা নং:২০৮৬/২৫ (ধারা ৪২০/৪০৬), নন জিআর মামলা নং: ১২৩/২৫, অন্যান্য: ভূমি রক্ষা আইনে দায়েরকৃত মামলা।
এসব মামলায় সুমি, তানিশা আক্তার তারিন, আঃ রহমান, তামিম ও রাজিবকে আসামি করা হয়েছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি সম্পূর্ণ সাজানো। তানিশা আক্তার তারিন বিবাহিত এবং তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। অথচ মামলার নথিতে তিনি সুকৌশলে স্বামীর নামের পরিবর্তে বাবার নাম ব্যবহার করেছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কতিপয় ব্যক্তি ও সাংবাদিক প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন, যা তার সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করছে। তিনি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। নাসির উদ্দিন বলেন, “তদন্তে আমি দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কিন্তু অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধেও যেন কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।”

