৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

ধর্মপাশায় ঘাসি নদীতে ধান চাষ

আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২১

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাধীন দক্ষিন বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের অন্তভূক্ত ঘাসি নদীতে এখন ধান চাষ। বর্ষা মৌসুমে পলিমাটি মিশ্রিত পাহাড়ী ঢলের পানি বিপদ সীমায় প্রভাহিত হয়ে নদীটির একাংশ ভরাট হয়ে বোরো ধান চাষাবাদের উপযোগী হয়েছে। বর্তমানে ওই নদীর তলায় প্রায় দুই শতাধিক একর জায়গায় বোরো ধান চাষাবাদ করা হয়েছে।

ধর্মপাশা উপজেলার দক্ষিন বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ঘাসি নদীতে ধান চাষ। এক ওই নদী দিয়ে বড় বড় লঞ্চ-জাহাজ নিয়মিত চলাচল করলেও পলিমাটি মিশ্রীত পাহাড়ি ঢলের পানি বিপদ সীমায় প্রবাহিত হওয়ায় গভীর নদীটি ভরাট হয়ে বোরো জমিতে রুপ নিয়েছে। ঘাসি নদীর তলায় তীরবর্তী বংশীকুন্ডা গ্রাম-হামিদপুর, জয়পুরসহ কয়েকটি গ্রামের কৃষক যার-যার বাড়ীর সামনে বরাবর দখল নিয়ে বোরো ধানের চারা রোপন করেছেন। ওই নদীতে প্রায় দুই শতাধিক একর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করা হয়েছে।
বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি নদীর কানায়-কানায় ভরে যায়। ঘাসি নদীটি তিন ভাগে বিভক্ত। প্রথম খন্ডতে পলিমাটি পড়ে ভরাট হওয়ায় তীরবর্তী কৃষকরা অবৈধ ভাবে দখল নিয়ে বোরো ধান চাষাবাদ করছে। দ্বিতীয় খন্ড সরকারের ক্যালেন্ডার ভূক্ত হওয়ায় সরকারী ভাবে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশান কর্তৃক মৎস্য আহরনের জন্য উন্নয়ন স্কিমের আওতায় ইজারা দিলেও তৃতীয় খন্ড জনস্বার্থে উন্মুক্ত করা হলেও তীরবর্তী হাট পাঠন গ্রামের মন্দির কমিটি সভাপতি মতি লাল সরকার ওই গ্রামের একটি প্রতারক চক্রের সহযোগীতায় তৃতীয় খন্ডটি অবৈধভাবে মন্দিরের নামে লিজ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
হাওর বেষ্টিত ওই এলাকায় চলাচলের একমাত্র মাধ্যম নদীপথ। উল্লেখ্য সরকার যদি বংশীকুন্ডা বাজার হতে হামিদপুর ব্রিজ ভায়া পার্শবর্তী নেত্রকোনার জেলার কলমাকান্দা উপজেলাধীন বিশরপাশা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার নদীপথ খনন করলে বাজারের মালামাল কেরিংসহ এলাকাবাসী অল্প সময়ে তাদের গন্তব্যে পৌঁছা সহজ হতো। অপর দিকে ওই নদীটি ইজারা দিয়ে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমানে রাজস্ব পেতো।

211 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন