৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

হিজলার মেঘনায় তৈল চুরি নিয়ে তুলকালাম কান্ড- ৭ দিনে ও মামলা নেই

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১

বিজয় নিউজ:: হিজলার বাউশিয়ার মেঘনা নদীতে জাহাজ থেকে তৈল চুরিকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত ৭। লক্ষ লক্ষ টাকার চোরাই তেলের কাবার চলছে মেঘনায়। উভয় পক্ষ হিজলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।আহত ও অভিযোগকারি মায়ানুর বেগম জানান, ৬ দিন গত হলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আইনী ব্যবস্থা নিতে পারেন নি। তার দাবি একটি পক্ষ তৈল চোরের পক্ষ নেয়ার কারনে এমনটা হয়েছে।
অপর দিকে মামলার অপর অভিযোগকারি দুলাল মুন্সি জানান, তিনি নিজে বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অদৃশ্য করণে মামলা নেয়নি পুলিশ।
এামলার তদন্তকর্মকর্তা এস আই রাকিব জানান, অভিযোগে তৈল চুরি বিষয় উল্লেখ নেই। তাছাড়া উভয় পক্ষ মামলা নিতে গরিমসি করছে। এক পশ্নের জবাবে এস আই রাকিব জানান, বাউশিয়ার মেঘনায় জাহাজ থেকে তৈল চুরির বিষয়টি দির্ঘ দিনের। বিষয়টি নৌ পুলিশের। তারা এ বিষয় ব্যবস্থা নেবেন।

৩০ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে হিজলার বাউশিয়া এলাকার মেঘনা নদীতে হাচন ফকির, আবুল খা, বারেক মুন্সিসহ দুলাল মুন্সী(বেপারী),মন্নান বয়াতি, শাকিল বেপারী, সালাউদ্দিন বেপারী, আক্তার হাওলাদার, একাধিক ব্যাক্তি জাহাজ থেকে তৈল চুরি কওে আসছিল। দুলাল মুন্সি জানান বিষয়টিতে বাধসাধেন স্থানীয় মন্নান বয়াতি। ১০ থেকে ১২টি ট্রলার থেকে মাছ এবং তৈল চুরির সরঞ্জাম নিয়ে আসেন মন্নান বয়াতি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় তৈল চোরদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এতে আহত হন সালাউদ্দিন বেপারী, সালাউদ্দিন পুত্র শাকিল বেপারী, দুলাল মুন্সি বেপারী, জব্বার খার স্ত্রী মাহিনুর, আক্তার হাওলাদারের স্ত্রী ফাতেমা, দুলাল বেপারীর কণ্যা রাবেয়া সহ একাধিক ব্যাক্তি।

আক্তারের স্ত্রী ফাতেমা জানান মন্নান বয়াতি ট্রলার থেকে ২৬টি তৈলের ড্রাম নিয়ে আসে। ঐ ড্রামগুলো নিজেই আত্মসাত করেন। বিষয়টি নিয় আলোচনরা করতে গেলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
দুলাল মুন্সি বেপারী জানান তিনি নিজেও নদীতে জাহাজ থেকে চোরাই তৈলের ব্যবসা করেন। বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে জানান- নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে বিরোধ হয়।

মাহিনুর জানান, দুলাল বেপারী, মন্নান, বারেক এরা বছরের পর বছর নদীতে জাটকা ইলিশ এবং জাহাজের তৈল চুরি করে আসছিল। ঘটনার দিন নদী থেকে মন্নান নিজে তৈলের ড্রাম নিয়ে আসে। ঐ গুলো নিজে আত্মসাত করেন। বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। কোনকিছু বুঝার আগেই তার উপর হামলা চালায় দুলাল বেপারী, বারেক বেপারী, মন্নান সহ একাধিক ব্যাক্তি।

স্থানীয় সচেতন মহল দাবি, বছরের পর বছর ধরে কোষ্টগার্ডের নাকের ডগায় জাহাজ থেকে তৈল চুরি করে আসছিল দুলাল মুন্সী(বেপারী), মন্নান বয়াতি, শাকিল বেপারী, সালাউদ্দিন বেপারী, আক্তার হাওলাদার, হাচন ফকির, আবুল খা, বারেক মুন্সিসহ একাধিক ব্যাক্তি। বিষয়টি কোষ্টগার্ডের অজানা থাকার কথা নয়। এর পরেও কেন তারা এর প্রতি নজর দিচ্ছে না। চোরদেও সাথে সখ্যতা রয়েছে কোষ্টগার্ড, নৌ পুলিশ এমন কি থানা পুলিশেলর।
নৌ পুলিশের ওসি হিজলা থানা জানান, তিনি এ বিষয় কিছুই জানে না।

199 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন