৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
কৃষকের ধানের মণ কেজিতে ৪৩ , ব্যবসায়ীর সাড়ে ৪০ কেজিতে বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার ‘শূন্যস্থান’ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ – পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের  হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব)

মধুপুরের মধুমতি আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর্ভোগ বাসিন্দাদের

আপডেট: জুলাই ৮, ২০২১

আঃহামিদ মধুপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরের আদালতপাড়া মধুমতি আবাসিক এলাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় মধুপুর উপজেলার সর্বোচ্চ উঁচুস্থান আদালত পাড়ার মধুমতি আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকে। দিনভর পচা ময়লাযুক্ত মানি পেড়িয়ে সবাইকে চলাচল করতে হয়।


জানা যায়, পাহাড়ীয়া অঞ্চল মধুপুরের সর্বোচ্চ উঁচু স্থানে মধুপুর উপজেলা পরিষদ কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসন এর কার্যালয়। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ও ওই টিলার উপরেই। জনগুরুত্বপূর্ণ এই দুই প্রতিষ্ঠান ঘিরে উপজেলা পরিষদ ও ভূমি অফিস চত্বর এবং শহীদ স্মৃতি স্কুলের চারপাশেই গড়ে উঠেছে আবাসিক এলাকা। ওই আবাসিক এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মধুমতি আবাসিক এলাকা। যে এলাকায় সরকারি-বেসরকারি চাকুরীজীবি,শিক্ষক, ব্যাংকারসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ বসবাস করেন। ওই এলাকার বাসাবাড়ি অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপকেন্দ্রের মাঠে জলাবদ্ধতার সৃস্টি হয়। তখন ওই মাঠের পাশ দিয়ে মধুমতি আবাসিক এলাকায় চলাচলের একমাত্র পথ জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। অনেক দূর্ভোগ নিয়েই মধুমতি আবাসিক এলাকার পাশাপাশি সোনালী আবাসিক এলাকার মানুষদেরকে চলাচল করতে হয়।
মধুমতি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আঃ মজিদ জানান, অপরিকল্পিতভাবে বাসাবাড়ি গড়ে উঠায় এবং পৌর বিধিমালা লঙ্ঘিত হওয়ায় আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এই ভোগান্তি দূর করার জন্য ড্রেনেজ ব্যাস্হা হলে এই ভোগান্তি লাঘব হবে।
এলাকার স্বপন মিয়া বলেন, চারদিকে পানি না থাকলেও আমাদের এই জায়গায় পানি জমে থাকে। আমাদের সবাইকেই ভোগান্তি পোহাতে হয়।
এব্যাপারে মধুপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কমিশনার বেশর আলী ফকির বলেন, মধুমতি আবাসিক এলাকার পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি আমরা ইতিমধ্যেই আমলে নিয়েছি। মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান ওই এলাকা থেকে বংশাই নদী পর্যন্ত ড্রেন নির্মানের একটি প্রকল্প ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের একটি প্রকল্পভূক্ত করেছেন। খুব শীঘ্রই সমস্যাটির সমাধান হবে।

107 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন