১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

শিরোনাম
বরিশাল শায়েস্তাবাদ চুড়ামন কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকেনা ডাক্তার থাকেনা থোলা! দেখার কেউ নেই (পর্ব-১) ছাতা ধরে রাখলেন তরুণী রিকশাচালকের মাথায় হিজলার মেঘনায় ভাঙ্গন শুরু-ঝুকিতে পাঁচটি স্কুল-হুমকির মুখে উপজেলা প্রশাসনিক ভবণ সরকারের পূরণ হতে পারে মন্ত্রিসভার ‘শূন্যস্থান’ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৪৭ তম জন্মবার্ষীকিতে জীবন কর্মে পথচলা তথ্য হিজলা ডাক বিভাগের দুর্নীতির-অনিয়মের হালখাতা খুলছে ডাক বিভাগ – পর্ব ০২ আই ডি এল সি ফাইন্যাস সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আদায়ের করে কিস্তি ,মাঠ কর্মীদের দেখে ব্যবসায়ীরা পালায়! (২য় পর্ব) বরিশালের  হিজলার মানচিত্রে শকুনের থাবা॥একক আসন মেহেন্দিগঞ্জ !(১ম পর্ব) বরিশাল হিজলায় রাজনীতি না ভিক্ষা চুরি নীতি

ধর্মপাশায় স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এর নৌ এম্বুলেন্সের ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ উপজেলা চেয়ারম্যানের দখলে

আপডেট: জুলাই ১০, ২০২১

                                                                              ফাইল ছবি

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এর নৌ এম্বুলেন্সের ইঞ্জিন এখন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকনের দখলে। ২০১১সালের ১৬ আগষ্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা মন্ত্রণালয় থেকে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি নৌ এম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু চালক না থাকায় নৌ এম্বুলেন্সটি একদিনের জন্যও চালানো সম্ভব হয়নি। এ কারনে ১৬ লাখ টাকার এম্বুলেন্সটি হাসপাতাল সংলগ্ন শয়তানখালী খালের পাড়ে গর্তের ভিতর রাখার পড় রৌদে শুকায় এর বৃষ্টিতে ভিজে এম্বুলেন্সের কাঠ ও পাটাতন পছে বিলিনহয়ে যায়। কিন্তু নৌ এম্বুলেন্সের ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ ইত্যাদি স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে এর গুদামে সংরক্ষন করা হয়। গুদামে সংরক্ষিত ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ এখন কোথায় আছে, তা জানেন না উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা পঃপঃ কর্মকর্তা।
এদিকে ২০১৯ সালের ২৫জুন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন নৌ এম্বুলেন্সের ইঞ্জিন ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ মেরামত করে উপজেলা পরিষদে জনসার্থে ও সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনই হাসপাতালের গুদামরক্ষকের কাছ থেকে নৌ এম্বুলেন্সের ৪০ হর্স পাওয়ারের একটি ইয়ামাহা ইঞ্জিন, একসেট ষ্টেয়ারিং কেবল সেট, একসেট ইঞ্জিন এর চাবি, একটি তেলের লাইন, একটি তেলের ট্যাংকি গ্রহন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর ড্রাইভার মোঃ মুখলেছুর রহমান জীবন। তবে এখন ড্রাইভার জীবনও জানেন না ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ কোথায় আছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দাবি তিনি নৌ এম্বুলেন্সের বডি (অবকাঠামো) সংগ্রহের পর মেরামত করে তা হাসপাতালে হস্তান্তরের জন্য ইঞ্জিন নিয়েছিলেন। কিন্তু দুই বছরেও তিনি তা মেরামত মেরামত কওে হাসপাতালে ফেরত দেননি। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্থানী সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এর ছোট ভাই মোজাম্মেল হোসেন রোকন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তিনি নৌ এম্বুলেন্সের ইঞ্জিনটি তার ব্যক্তিগত স্পিডবোটে ব্যবহার করছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ এমরান হোসেন বলেন, এসংক্রান্ত কোন তথ্য আমার কাছে নেই। সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এর ছোট ভাই ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন তিনি বলেন, নৌ এম্বুলেন্সের ইঞ্জিন আমার কাছে নয়। আমার পরিষদেই আছে। রক্ষণাবেক্ষনের জন্য একটি বডি (অবকাঠামো) খুজছি। উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি বডি কিনে তা মেরামত করে এটি হাসপাতালে হস্তান্তর করব। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনতাসির হাসান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে নৌ এম্বুলেন্সের ইঞ্জিন উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হবে।
নাম প্রকাশ না করা সত্বে হাসপাতালের এক কর্মকর্তা বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশে লিখিত ওয়াডার এর পর উপজেলা চেয়ারম্যান এর ড্রাইভার জীবন মিয়া এসে ইঞ্জিনটি নিয়ে যায়।

753 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন