৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

ধর্মপাশায় ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২২

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা ও মধ্যনগর প্রতিনিধি(সুনামগঞ্জ):: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলায় নির্ধারিত সময়ের সাত মাস পেরিয়ে গেলেও নয়টি বীর নির্বাসনের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। এ অবস্থায় নির্মাণকাজের ঠিকাদারের কার্যাদেশ ও চুক্তিপত্র বাতিল এবং জামানত বাজেয়াপ্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মুনতাসির হাসান বলেন, বীর নিবাস নিমাণকাজের মেয়াদ আগেইন শেষ হয়েছে। ঠিকাদারের কাছে চুড়ান্ত নোটিশসহ চারবার নোটিশ পাঠালেও কোন জবাব পাওয়া যায়নি। তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঠিকাদারের কার্যাদেশ ও চুক্তিপত্র বাতিল এবং জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ধর্মপাশা উপজেলা সদর ইউনিয়নের কামলাবাজ,মেউহারী, সেলবরষ ইউপির মুদাহরপুর, মির্জাপুর এবং মধ্যনগর উপজেলায় বংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউনিয়নের রৌহা, কালাগড়, বুড়িপত্তন, চামরদানী ইউনিয়নের সোলেমানপুর এ আটটি গ্রামের অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নয়টি বীর নিবাস নির্মানের জন্য গত বছরের ২২ নভেম্বর দরপত্র আহবান করা হয়। ১ কোটি ২০ লাখ ৯২ হাজার ৫৫৯ টাকা ব্যয়ে কাজটি পায় মেসার্স জব্বার বিল্ডার্স নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্টান। ঠিকাদার মঞ্জুরুল হককে কার্যাদেশ দেওয়া হয় গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব নির্মান কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল।
এ বিষয়ে ঠিকাদার মঞ্জুরুল হক বলেন, আমার ব্যবসায়িক প্রতিনিধি চুন্নু মিয়া এই কাজের দায়িত্বে ছিলেন। তার কারণেই আমার এই সর্বনাশ হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পি.আইও) প্রজেশ চন্দ্র দাস বলেন, ঠিকাদার নয়টি বীর নিবাস নির্মান কাজের গড়ে ৬০ ভাড় কাজ শেষ করেছেন।
সেলবরষ ইউনিয়নের মুদাহরপুর গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম ওমর ফারুকের ছেলে হাবিব বলেন, কার্যাদেশ ও চুক্তিনামা বাতিল এবং ঠিকাদারের জামানত বাজেয়াপ্ত করায় তারা আনন্দিত।

40 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন