ধর্মপাশায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধনরে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Monday, December 28th, 2020

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):;  সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ২নং দক্ষিন বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত মিথ্যা ও বানোয়াট মানবন্ধেনের প্রতিবাদে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজিম মাহমুদ এর উদ্যোগে গতকাল দুপুর ১২টায় ওই ইউনিয়নের দাতিয়ারপাড়া নতুন বাজার এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান মোঃ আজিম মাহমুদ এর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠকরেন ২নং বশীকুন্ডা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ হোসেন আলী। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২নং বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বাসীন্দা। ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আকরাম হোসেন। ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগর থানা শাখা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি থেকেও বিগত ইউপি নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক না পেয়ে নৌকার বিরুধীতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্দীতা করে নৌকা প্রতীক মোঃ আজিম মাহমুদ এর কাছে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে হেরে যান। এর কিছুদিন পর তিনি জঠিল রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
উক্ত ইউপির জয়পুর গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আকরাম হোসেনের ছেলে কাঞ্চন মিয়া (৩০), আপন চাচা সাইদুর রহমান (৫০) ও তার ছেলে রাকিব মিয়া (২২), মরহুম আকরাম হোসেনের ছোট ভাই আরব আলীর ছেলে পিয়াস মিয়া, মুজিবুর রহমান ও সাগর, মরহুম আকরাম হোসেনের চাচাতো ভাই আবুল কালামের ছেলে মিশু মিয়াসহ তারা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তাদের লোকজন নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদের উপর চরম ক্ষিপ্ত হয়। বিগত ইউপি নির্বাচনে পরাজয়কে মেনে নিতে না পেরে তারা এলাকার মানুষজনদের সঙ্গে র্দুব্যবহার, চুরি ছিনতাই সহ নানান অসামাজিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িয়ে পরে বলে অভিযোগে প্রকাশ।
এসব কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ করে আসছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ। গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা প্রায় ৬টায় আমাদের ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের সামনের সড়ক সংলগ্ন সেতুর উপর মোটর সাইকেল থামিয়ে জয়পুর গ্রামের বাসীন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আকরাম হোসেনের ছোট ভাই মুজিবুর রহমান, সাইদুর রহমান, মরহুম আকরাম হোসেনের ছেলে কাঞ্চন, ভাতিজা রাকিব, পিয়াস, সাগর, মিশুসহ সঙ্গবন্ধ একটি চক্র ওই ইউপির সাতুর গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদের মোটর সাইকেল চালক সৌরভ মিয়া (২২)কে মারধর করে তার কাছ থেকে ৭৭ হাজার ৫শ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে সাতুর গ্রামের ১৫-২০ জন লোক ঘটনা¯’লে এসে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষনিক মরহুম আকরাম হোসেনের ছোট ভাই মুজিবুর রহমান ও সাইদুর রহমানকে আটক করে। এসময় ছিনতাইকারী কাজে নিয়োজিত অন্যরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তারা দুজন ছিনতাই করা টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার ও মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয় গ্রাামবাসী। এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশকে জানানো হয়। ওই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদের উপর চাপ সৃষ্টি করে।
এসব নাটকের জেড়ধরে মরহুম আকরাম হোসেনের লোক জন গত ২০ ডিসেম্বর রাত ১টা ৩০মিনিটে তাদের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন লোক পরিকল্পিতভাবে দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জয়পুর গ্রামের মরহুম আকরাম হোসেনের বশতঘরসহ আসপাশে একাধিক ঘরে হামলা, ভাংচুর ও মরহুম আকরাম হোসেনের আপন দুই ভাইকে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর ও তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদেরকে নির্যাতন করা হয়েছে। এঘটনাটি সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তারা নিজেরাই আতঙ্ক সৃষ্টি করে প্রতিপক্ষের উপর এর দায় চাঁপানো তাদের চরিত্র। তাদের লোকজন ইস্যুসৃষ্টি করে তারাই আবার অপরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদের মান সম্মান হানি করার হীন উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য জননন্ধিত চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মানববন্ধন ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগে প্রকাশ।
এসব মিথ্যা নাকটের প্রতিবাদে বর্তমান চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ এর উদ্যোগে গতকাল দাতিয়ারপাড়া নতুন বাজার দুপুর ১২টায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও পরিশেষে মানববন্ধন করা হয়।