ধর্মপাশায় ১০ টাকা কেজির চাল বিতরতে ডিলার কর্তৃক রহস্যজনক ভূমিকা

আপডেট: September 27, 2020

ধর্মপাশায় পাইকরাটি ইউপির গাছতলা বাজার থেকে ছবিটি তুলা                                                                        ছবি- বিজয় নিউজ

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)::  সারা দেশে দীর্ঘ স্থায়ী কোভিট-১৯ (করোনার মহামারী) অপর দিকে একে একে চতুর্থ বার বন্যায় আয়ের মানুষ দিশে হারা হয়ে পরেছেন। এমন সময় সরকার সাধারন জনগনের সুবিদার্থে ৩৬ টাকা কেজি ধরে খাদ্য গুদামে সংগ্রহ কৃত চাল ১০ টাকা কেজি ধরে খুলা বাজারে খাদ্য বান্ধব হিসেবে ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে চারলেও এক শ্রেনীর অসাধু ডিলার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে, এমপির ও উপজেলা চেয়ারম্যানের দাপট দেখিয়ে প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের সাধারন মানুষের কাছে নিজেকে জাহির করার জন্য খালি মাঠে দাপট দেখিয়ে, এসব খাদ্য বান্ধবের চাল সঠিক ভাবে বিতরন না করে রাতের অন্ধকারে কালো বাজারে বিক্রি করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিজন ভূক্তভোগী কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩০০ টাকার বিনিময়ে ৩০ কেজি চাল পাবেন। কিš‘ চলতি মাসর ১৫ তারিখ খাদ্য বান্ধব চালু হওয়ায় ১ মাসের চাল ১০/১২ দিনের মধ্যে বিতরন করতে হবে বিধায় শুক্র ও শনি বন্ধের দিনও ডিলার দের দোকান খোঁলা রাখার নির্দেশনা থাকলেও একাধিক ডিলার নয়-চয় এর অপেক্ষায় জিমধরে বসে রয়েছেন।

গতকাল শনিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাইকরাটি ইউনিয়ন ডিলার মো: রিপন মিয়া ও ফারুক মিয়া-সুরাপ মিয়া,মধ্যনগর বাজার ২ জন ডিলা তাদের দোকান বন্ধ ছিল। এবং তাদের বিক্রয় কেন্দ্রের সামনে ব্যানারও ছিল না। এব্যাপারে মধ্যনগর ইউনিয়নের ডিলার রনি খান বলেন, আমি শুক্রবারেও দোকান বন্ধ রেখে ছিলাম। কয়েক জন কার্ডধারি আসার পর তাদেও চাল দিয়ে দিয়েছি। উপজেলা পোট অফিসারের দায়ীত্বে থাকা কামরুল ইসলামের সাথে পরামর্শ করেই শনিবার দোকান বন্ধ রেখেছি। কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে দোকান বন্ধ রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্ম মুনতাসির হাসান পলাশ তিনি বলেন, বিষয়টি আমি দেখছি।

 

201 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন