১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

মধ্যনগর বাজার মহিলা সমবায় সমিতির কয়েক লাখ টাকা আত্মসাত আসবাবপত্র লুটপাট

আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২১

গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):; মধ্যনগর বাজার মহিলা সমবায় সমিতি লিঃ স্বাধীনতার পর মধ্যনগর বাজার সহ বিভিন্ন গ্রামের ২০জন মহিলা সদস্য নিয়ে মধ্যনগর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের রহিমা আক্তারকে সভাপতি ও মনোয়ারা বেগমকে সাধারন সম্পাদক করে ২০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই বছর উপজেলা সমবায় কার্যালয়ে মাধ্যমে সমিতিটি রেজিষ্টেশন করা হয়। তৎকালীন সাংসদ সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল এর মাধ্যমে ৪টি সেলাই মেশিন ও কিছু আসবাবপত্র দেওয়া হয়। তৎকালীন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ডিসি খতিয়ানের জায়গাটি মহিলা সমবায় সিমিতি লিঃ এর নামে প্রায় সাড়ে ৫শতক জায়গাতে তাদের অফিসের জন্য দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নিয়মিত মিটিং না করায় ২০০৬ সালে সমিতিটি বিলপ্তি ঘটলেও পূর্বের সভাপতি রহিমার রাজত্ব কায়েম করা হয়।ওই সমিতির একাধিক সদস্য জানায় সাবেক সভাপতি রহিমা আক্তার ৫টি সেলাই মেশিন অফিসের আসবাবপত্র ইত্যাদি কাউকে না জানিয়ে সে বিক্রি করেছে। অফিসের ঘরটি প্রায় ৩০ বছর ভাড়ার কয়েক লাখ টাকা সভাপতি রহিমা আক্তার আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগে প্রকাশ। ২০০৬ সালের পর ২০১৯ সালে ২ বছর মেয়াদে পূর্নরায় একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই সমিতির মেয়াদও প্রায় শেষ পর্যায়।
সমিতিটি সমবায় এর অন্তভুক্ত হওয়ার পরও ওই সমিতির কোন অডিট নেই এবং কোন জবাবদিহিতাও নেই। ওই সমিতিটি সচ্চল না অচল তারও কোন প্রতিবেদন নেই।
সদস্যমের অভিযোগ রহিমা আক্তার অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা না বলেই সমিতির অফিসের পিছনে আরো ২/৩টি ঘর তোলে অফিস ঘর সহ ৩টি ঘর ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এব্যাপারে গত সোমবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সমিতির অফিসের অর্ধেকটি ঘরে রহিমা আক্তার বসবাস করছে। বাকী অর্ধেকটি ঘর সহ পেছনে আরো ৩টি ঘর তোলে ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে প্রমান পাওয়া গেছে। তবে ওই দিন রহিমা আক্তারকে পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ আবুল কালাম ফরাজি আমতা আমতা করে কিছু বললেও সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। ওই সমিতির কোন হিসাব তার কাছে নাই বলে তিনি জানান।
ওই সমিতির সাধারন সম্পাদক মনোয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ওই মহিলা সভাপতির দাপট খাঁটিয়ে অফিসের ৫টি সেলাই মেশিন চেয়ার, টেবিল ও আলমিরা ইত্যাদি বিক্রি করে সমস্ত টাকা আত্মসাত করে আসছে। কাউকে না বলে অফিসের পেছনে আরো ২টি ঘর তোলে ৪টি রুম করে ভাড়াদিয়ে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অফিস ঘরটি সে নিজেই দখল করে রেখেছে।

200 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন