
আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২১
গিয়াস উদ্দিন রানা,ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাধীন সেলবরষ ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক আছাদুজ্জামান এর উদ্যোগে গতকাল শনিবার বিকাল আড়াইটার সময় ধর্মপাশা উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আছাদুজ্জামান লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৬২ সনে বৌলাম মৌজায় ৬৫৫ দাগে মোট ১৮একর জমির মধ্যে নানার নামে ১০৪ খতিয়ানের ৯ একর ভূমি রেকর্ড অর্ন্তভূক্ত হওয়ার পর থেকে ভোগ দখল করে আসিতেছি। বর্তমানে পৈতৃক সূত্রে ৪ ছেলে, মোস্তফা কামাল সাবেক দৈনিক বাংলার সহকারি সম্পাদক গং নামে ৪৭৬ খতিয়ানের যথাক্রমে ১১৬৪, ১১৭১, ১১৭৩ দাগে ৯ একর ম্যাপসহ ছাপা পরছা বের হয় এবং আমরা ১৯৬২ সন হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। সময় সময় বৌলাম গ্রাম নিবাসী আফির উদ্দিন গং কতিপয় উগ্র দাঙ্গাবাজ ব্যক্তিদের সহায়তায় আমাদের রেকর্ডীয় জমিতে দখল নিতে ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালায়। এমতাবস্তায় বিগত ৭/১/২০১৮ ইং বিজ্ঞ উপজেলা নির্বাহী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। ২ বছর শুনানির পর ১৩/১/২০২০ ইং বাদীর পক্ষে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে বিবাদীদের উল্লেখীত ভূমিতে আসতে বারণ করা হয়। আবারও আফির উদ্দিন গং কতিপয় উগ্র দাঙ্গাবাজ ব্যক্তিদের সহায়তায় সত্য গোপন করে অর্থাৎ রায় গোপন করে দখলের পায়তারা করলে বিজ্ঞ নির্বাহী আদালত স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেখে আবারও তাদেরকে বারণ করা হয়। কিন্তু আফির উদ্দিন গংরা কোন আদেশ নিষেধ মানছে না। তাই বিগত ২২/৮/২০২১ ইং তারিখে সহকারী জজ আদালত সুনামগঞ্জে একটি মামলা দায়ের করি। মামলা নং ১৩৭/২২ এবং ২৩/১১/২০২১ ইং তারিখ বিবাদী গণের বিরোদ্ধে অন্তবর্তী কালীন নিষেধাঙ্গা আদেশ সহ কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। তাদের দাবি সরকার ভূমিহীন বন্দোবস্ত কমিটি কর্তৃক তাদের নামে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। তাই তারা জজ আদালতের কোনরুপ নিষেধাজ্ঞা তারা মানছে না, জোরপূর্বক জমি দখল করে নিবে। এবং আমাদেরকে প্রাণ নাশের হুমকী দিয়ে জমি দখল করে নিবে। আমি নিরিহ শিক্ষক হওয়ায় কতিপয় নেশাকোর অর্থাৎ মাদকাসক্ত নষ্ট ছেলেদের দিয়ে জোড়পূর্বক জমি দখল নেওয়ার পায়তারা করিতেছে। ২/৩ বছর পূর্বে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপজেলা থাস জমি ও রেকডীয় জমি চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানের কথা বললেও কোনরুপ সুফল পাইনি। আমার ধারনা ৯ একর ১নং খাস খতিয়ানের জমিতে বন্দোবস্ত দেওয়ার পর ইতোমধ্যেই ভূমিহীনরা বন্দোবস্ত বলে তারা দখলে আছে। বৌলাম মৌজার বর্তমান জরিপ কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৫ সালে। অনেক ভূমিহীন বন্দোবস্ত পায় ১৯৯৯, ২০০১ সনে।
ভূমিহীন ও রেকডীও জায়গার এই জটিলতা নিরশনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।