
আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২২
মধ্যনগরে মাছের আড়ৎ ভায়চুর ছবি- বিজয় নিউজ
গিয়াস উদ্দিন রানা.ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):; সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সদও ইউনিয়নের খালিসাখান্দা গ্রামে সেচ প্রকল্প স্থাপনকে কেন্দ্রকরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষে আহত ২ মাছের আড়ৎ ভাংছুর তিন লক্ষ্য টাকা ও ৭ হাজার টাকা মূলের একটি শাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায় খালিসাকান্দ্র গ্রামে দুই গ্রুপের মধ্যে সেচ পাম্প বসানোকে কেন্দ্রকরে দীর্ঘ দিন ধরে দুই পক্ষের মাঝে দন্ড চলছিল। ওই দ্বন্দ্বের জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে সেচ প্রকল্পের পাশে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটির এক পর্যায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মুকশেদ তালুকদার ও মধ্যনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক নওয়াব আলীর ওই দুই পক্ষের মাঝে সেচ পাম্প বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হলেও এ বিষয়টিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় রুপ নেয়। নির্বাচনী নৌকার মিছিলে ঘোড়া প্রতীক স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন মিছিলে হামলা করছে বলে অভিযোগ উঠলেও বিষয়টি বিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সরজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই দিন সংঘর্ষের পরপরই নৌকার সমর্থকরা মধ্যনগর বাজারে এসে মুকশেদ তালুকদারের ভাগনা মোঃ সাইদুল ইসলামের মাছের আড়ৎ ভাংচুর করে এবং আড়ৎতের দায়ীত্বে থাকা কর্মচারি আফিনুরকে মারপিট করে গুরুত আহত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে নৌকার প্রার্থীর পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষ মুকশেদ সহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামীকরে মধ্যনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অপর দিকে মুকশেদ মিয়ার পক্ষে মাছের আড়ৎতের মালিক সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামীকরে মধ্যনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে গেলেও ওই অভিযোগটি থানায় গ্রহন করেনি বলে যানা গেছে। কিন্তু অভিযোক্ত মুকশেদ মিয়া তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন আমি মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নৌকার পক্ষে কাজ করছি। কিন্তু আমাদের গ্রামে আমার প্রতিপক্ষ একটি কূচক্রীয় মহল নৌকার সমর্থক হয়ে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার হিন উদ্দের্শ নিয়ে নৌকার প্রার্থীর কাছে আমাকে দুষি প্রমানিত করার জন্যই এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েছে।
এ বিষয়ে নওয়াব আলী জানান, তিনি খালিসাকান্দা গ্রাম থেকে নদী পথে ট্রলার দিয়ে নৌকার মিছিল নিয়ে মধ্যনগর বাজারে যাচ্ছিলেন ওই মিছিলে আরো লোকজন নিতে ট্রলারটি নদীর পাড়ে ভিরালে মুকশেদ তালুকদার তার লোকজন নিয়ে নওয়াব আলীকে গালিগালাজ করে এবং মিছিলের উপর হামলা চালিয়ে নওয়াব আলীর ছেলে রাসেলকে মারপিটকরে আহত করে।
এব্যাপারে মধ্যনগর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ও.সি) নির্মল চন্দ্র দেব তিনি বলেন, মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপর পক্ষের লোকজন একটি অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিল, তারা জানাবোঝা করে পরে আসবে বলে চলেগেছে।