
আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২২
আপডেট:
গিয়াস উদ্দিন রানাঃ ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ):: সুনামগঞ্জ জেলা বিএডিসি উপ সহকারী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ ধর্মপাশায় এক কৃষকের নামে সেচ প্রকল্প অনুমোদনের নামে ঘুষ নিয়েও সেচ প্রকল্পটি অনুমোদন না দেওয়ায় ওই কৃষক গতকাল রবিবার দুপুর ১২টায় ধর্মপাশা উপজেলা প্রেসক্লাবে ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের ভাটাপাড়া গ্রামের কৃষক তারা মিয়া, সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষক তারা মিয়া লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি একজন সাধারন কৃষক, আমার পেশা কৃষি কাজ। আমার উচ্ছু জমিতে চাষাবাদের জন্য একটি গভীর নলকূপ বসাইয়া ডিজেল মেশিন দ্ধারা ২৫ বছর যাবৎ সেচ কার্য ক্রম পরিচালনা করে আসিতেছি। বিগত ০১/০১/২০১৮ইং তারিখে আমার গভীর নলকূপের পাশে বিদ্যুৎ লাইন নির্মান হওয়ায় আমি নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করিতে গেলে, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাগন বলেন আপনার লাইসেন্স নিয়া আসার জন্য। তখন আমি সুনামগঞ্জ জেলা বিএডিসি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের কথা মতো লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। বিএডিসি অফিস আমার পূর্বের কাগজপত্রাদি যাচাই বাইয়ের পর ধর্মপাশা ক্ষুদ্র সেচ কমিটি কর্তৃক আমার আবেদনটি অনুমোদন করেন এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএডিসি অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হাসান মাহমুদ বলেন লাইসেন্সটি নিতে হলে ২০ হাজার টাকা লাগবে। এর কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংকে একাউন্ট ও যাতায়াত খরছ বাবত ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। তার কথামতো ২০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও এখ নপর্যন্ত লাইসেন্সটি পাইনি। এতে ওই সেচের আওতায় প্রায় কয়েক শ একর ফসলি জমি অনাবাদের আসংখ্যা দেখা দিয়েছে। উপ সহকারীন প্রকৌশলী মোঃ হাসান আহমুদ অর্থের বিনিময়ে সরজমিন পরিদর্শন নাকরেই আমার এক প্রতিবেশি শাহ আলম নামের এক ব্যক্তিকে লাইসেন্স দিয়েছেন। নিতীমালা অনুযায়ী একটি সেচ যন্ত্র থেকে অপর সেচ যন্ত্রের দূরত্ব প্রায় ১৮শত ফুট। পরবর্তীতে আমার লাইসেন্সটি নবায়নের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা বিএডিসি অফিসে লেগে উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হাসান মাহমুদ বলেন লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। আমি ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বলেছি চলতি বোরো ফসল তুলে আপনাকে বাকী ২০ হাজার টাকা দিয়ে দিব। সম্পূন্ন টাকা পরিশোধ না করায় হাসান মাহমুদ গত ১৯/১২/২০২১ ইং তারিখে স্বারক নং ২০২১-২২-৩০ উক্ত স্বারকাদেশে আমার লাইসেন্সটি সাময়ীক স্থগীত ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করনসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি পত্র প্রেরন করা হয়।