
আপডেট: December 20, 2020
স্পোর্টস ডেস্ক:; পাকিস্তানের পুঁজিটা একদম ফেলে দেয়ার তো ছিল না। ১৬৪ রানের লক্ষ্য টি-টোয়েন্টিতে তো চ্যালেঞ্জিংই। কিন্তু প্রথমটির মতো দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও ঘরের মাঠের নিউজিল্যান্ডের সামনে পাত্তা পেল না পাকিস্তান।
প্রথমটিতে ৫ উইকেটে হেরেছিল সফরকারিরা। দ্বিতীয় ম্যাচে হারটা আরও বড়। নিউজিল্যান্ড ম্যাচটা জিতেছে ৯ উইকেটে। আর এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতে নিয়েছে স্বাগতিকরা।
রান তাড়ায় নেমে ১১ বলে ২২ রানের ঝড় তুলে মার্টিন গাপটিল ফিরলেও বাকি কাজটা হেসেখেলে সেরেছেন টিম শেইফার্ট আর কেন উইলিয়ামসন। দ্বিতীয় উইকেটে তাড়া গড়েন ১২৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।
৬৩ বলে ৮ চার আর ৩ ছক্কায় ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন টিম শেইফার্ট। সঙ্গে ৪২ বলে ৮ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৫৭ রান নিয়ে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন এই ম্যাচেই একাদশে ফেরা অধিনায়ক উইলিয়ামসন।
এর আগে অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজের ৫৭ বলে হার না মানা ৯৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেটে ১৬৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল পাকিস্তান।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ম্যাচের মতোই কিউই বোলারদের তোপে পড়ে সফরকারিরা। টপ অর্ডারে যা একটু ভালো খেলছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, তিনিও ২০ বলে ২২ রানে আটকে যান। ১৬ রানে ২টি আর ৫৬ রানে ৪টি উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান।
সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেছেন ৪০ বছর বয়সী হাফিজ। তার প্রায় অর্ধেক বয়সী হায়দার আলি (৮), আবদুল্লাহ শফিকরা (০) যখন টি-টোয়েন্টির তারুণ্য মাঠে প্রমাণ করতে পারেননি, বর্ষীয়ান হাফিজ সেটি করে দেখিয়েছেন।
যখন যাকে সঙ্গে পেয়েছেন, জুটি গড়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রিজওয়ান ছাড়া কেউই বিশের ঘরও ছুঁতে পারেননি। শেষতক ৫৭ বলে ১০ বাউন্ডারি আর ৫ ছক্কায় হাফিজ অপরাজিত থাকেন ৯৯ রানে। এর মধ্যে শেষ বলে ছক্কাসহ শেষ ওভারে একটি চার আর দুটি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।
নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন। ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান খরচায় ৪টি উইকেট শিকার এই পেসারের।